kalerkantho

রবিবার । ১২ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৯ সফর ১৪৪২

রোমাঞ্চকর জয় ইংল্যান্ডের

৯ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল ২৭৭। জয়ের হাতছানি তাতে খুব ভালোভাবেই ছিল। যদিও ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ইতিহাসে ২০০-র বেশি রান তাড়া করে  জেতার ঘটনা মাত্র দুইবার। তাই দুই রকম সম্ভাবনাই ছিল। চতুর্থদিন তেমনিভাবে দুদিকে দুলেছিলও ম্যাচ। তবে শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা।

পাকিস্তানি বোলাররাই একটা পর্যায়ে ম্যাচটা নিজেদের দিকে টেনে নিয়েছিলেন ১১৭ রানে স্বাগতিকদের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে। তবে ক্রিস ওকস ও জস বাটলারের ব্যাটে ম্যাচে ফিরেছে ইংল্যান্ড। ৭ উইকেটে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌছে যায় তারা। বাটলার ৭৫ আর ওকস অপরাজিত ৮৪ রান।

৩ উইকেটে ইংল্যান্ডের যখন ১০৬, তখনই আসলে ম্যাচটা সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। কিন্তু ইয়াসির শাহ নিজের দ্বিতীয় উইকেট হিসেবে বেন স্টোকসকে তুলে সেখান থেকেই আশা বাড়ান পাকিস্তানের। এরপর প্রথম ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার ওলি পোপকেও শাহীন শাহ আফ্রিদি দ্রুত ফিরিয়ে দিলে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। ব্যাট হাতেও ইয়াসির ছিলেন কার্যকর। তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ৩৩ রানে ইংলিশদের আড়াই শর ওপরে টার্গেট দিতে পেরেছে পাকিস্তান। ।

২৭৭ রানের লক্ষ্যে ইংল্যান্ডকে হিসেবি ব্যাটিং করতে হয়েছে মোহাম্মদ আব্বাস ও শাহীন শাহ আফ্রিদির নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে। ১ উইকেট হারিয়ে ৫৫ রান তুলে তারা মধ্যবিরতিতে যায়। রোরি বার্নসকে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলে ফেরান আব্বাস দলীয় ২২ রানে। এরপর ডম সিবলের সঙ্গে মিলে অধিনায়ক জো রুট ইনিংসে দৃঢ়তা দেন। তাঁদের ৬৪ রানের সেই জুটি ভাঙেন ইয়াসির শাহ। রুট ফেরেন ৪২ রানে। স্টোকস নেমে থিতু হওয়ার আগেই তাঁকে ফিরিয়ে দিয়ে ইয়াসিরই পাকিস্তানকে পথ দেখান। ১০৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা তখন ব্যাকফুটে। সেখান থেকে এগোতে দেননি তাদের শাহীন শাহ আফ্রিদি ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার ওলি পোপকে দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে। ক্রিকইনফো

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান : ৩২৬ ও ৪৬.৪ ওভারে ১৬৯ (ইয়াসির ৩৩, আসাদ ২৯; ব্রড ৩/৩৭)। ইংল্যান্ড : ২১৯ ও ৮২.১ ওভারে ২৭৭/৭ (ওকস ৮৪*, বাটলার ৭৫; ইয়াসির ৪/৯৯)।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা