kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

বিদায় রিয়াল-রোনালদো

৯ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিদায় রিয়াল-রোনালদো

বড় মঞ্চে বড় ভুলের সুযোগ নেই। অথচ রাফায়েল ভারানের শিশুতোষ ভুলে দুই গোল ‘উপহার’ পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। তাতে ২-১ (গোলগড়ে ৪-২) ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে পেপ গার্দিওলার দল। আর প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট থেকে ছিটকে গেলেন জিনেদিন জিদান। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর কষ্টটা আরো বেশি। জোড়া গোল করে অলিম্পিক লিওঁকে হারিয়েও অ্যাওয়ে গোলের খাঁড়ায় কাটা পড়েছে তাঁর দল জুভেন্টাস। দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ২-২, তবে জুভেন্টাসের মাঠে ১ গোল করায় শেষ আটের টিকিট ফরাসি দলটির।

ইতিহাদে নবম মিনিটে রাফায়েল ভারানকে বাইলাইনের কাছে পাস দিয়েছিলেন গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়া। ভারানের সময়ক্ষেপণের সুযোগে বলের দখল নিয়ে দ্রুত ফাঁকায় থাকা রহিম স্টার্লিংকে দেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি স্টার্লিং। ২৮ মিনিটে রদ্রিগোর দারুণ ক্রসে নেওয়া হেডে সমতা ফেরান করিম বেনজিমা। প্রাণও ফেরে ম্যাচে। রিয়াল আরেক গোল করলেই ম্যাচ গড়াত টাইব্রেকারে। তখনই আরেকটি ভুল করে বসেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা ভারান। উড়ে আসা বল হেডে ক্লিয়ার করতে পারেননি প্রথমে, এরপর দুর্বল হেডে বল পাঠাতে চেয়েছিলেন কর্তোয়ার কাছে। সুযোগটা নিয়ে ব্যবধান ২-১ করেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস।

রিয়াল গোলের দেখা পায়নি আর। থিবো কর্তোয়া অসাধারণ কিছু সেভ না করলে গার্দিওলার দল ব্যবধান বাড়াতে পারত আরো। একা কেভিন ডি ব্রুইনাই গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন ৯টি! দলের হারের দায়টা নিজের কাঁধে নিচ্ছেন ভারানে, ‘আমার কারণেই দল হেরেছে। পুরো দায়টা নিচ্ছি আমি। সতীর্থদের জন্য খুব খারাপ লাগছে, ক্ষমা চাইছি।’

নিষেধাজ্ঞার জন্য খেলতে না পারা অধিনায়ক সের্হিয়ো রামোস মাঠে উপস্থিত থেকে উৎসাহ জুগিয়েছেন ম্যাচজুড়ে। কাজ হয়নি তাতেও। কোচ জিদান তার পরও পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন শিষ্যদের, ‘এই মৌসুমে আমরা যা করেছি এর ৯৫ শতাংশই অসাধারণ। খেলোয়াড়দের নিয়ে আমি গর্বিত।’ ম্যানচেস্টার সিটি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে অলিম্পিক লিঁওর বিপক্ষে। কোচ পেপ গার্দিওলা অবশ্য যেতে চান আরো বহু দূর, ‘রিয়ালকে দুবার হারিয়েছি, এটা গুরুত্বপূর্ণ। জিদান এর আগে কখনো নকআউট থেকে বাদ পড়েনি। আমরা ভীষণ খুশি, তবে এটা প্রথম পদক্ষেপ। পরের পদক্ষেপের জন্য খেলোয়াড়রা যাচ্ছে লিসবনে।’

জুভেন্টাসের মাঠে ১২ মিনিটে মেমফিস দেপেইয়ের বিতর্কিত পেনাল্টিতে এগিয়ে যায় লিঁও। হুসাম ওয়ারকে আটকাতে স্লাইডিং ট্যাকল করেছিলেন রদ্রিগো বেনতাংকুর। প্রথম স্পর্শ বলে হলেও জার্মান রেফারি ফেলিক্স জোয়ায়ের বাজান পেনাল্টির বাঁশি। ভিএআরেও বদলায়নি সেটা। এরপর মিরালেম পিয়ানিচের ফ্রিকিক মানবদেয়ালের পাশে থাকা মেমফিস দেপেইয়ের হাতে লাগলে পেনাল্টি দেন রেফারি। সমতা আনতে ভুল করেননি রোনালদো। ৬০ মিনিটে দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে জুভেন্টাসকে এগিয়েও নেন তিনি। গত মৌসুমে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে জুভেন্টাসকে বাঁচালেও এবার পারেননি পর্তুগিজ যুবরাজ।

অ্যাওয়ে গোলে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করা লিঁওর কোচ রুদি গার্সিয়া বলেন, ‘জুভেন্টাসে ভিনগ্রহের এক ফুটবলার (রোনালদো) আছে। তবে আমরা দল হয়েই জিতেছি।’ এই ব্যর্থতায় চাকরি হারান জুভেন্টাস কোচ মরিসিও সারি। এএফপি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা