kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

তালগোল পাকিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে

৯ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তালগোল পাকিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রিপোর্ট অনুযায়ী ছয় ফুটবলার সুস্থ। কিন্তু তিন দিন সংক্রমিতদের সঙ্গে থেকে, প্র্যাকটিস করে তাঁরা কি আর সুস্থ থাকেন? আসলে ফুটবলের সর্বাঙ্গে যেন করোনার সংক্রমণ! বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বাফুফে এখন দৌড়াচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে। আগামীকাল প্রত্যেকের দুটি করে পরীক্ষার পর নতুন করে শুরু হবে জাতীয় দলের ফুটবল ক্যাম্প। প্রত্যেক ফুটবলার, কোচিং স্টাফ ও ক্যাম্প সংশ্লিষ্টদের একটি করে পরীক্ষা হবে দুটি হাসপাতালে।

এর মধ্যে গতকাল আগের নিয়মে ডাক পাওয়া শেষ সাত ফুটবলারের পরীক্ষা হয়েছে বিএসএমএমইউতে। নাবিব নেওয়াজ জ্বরে আক্রান্ত, বাকি ছয়জন নেগেটিভ। অথচ আগের দুদিনে সেখানে পরীক্ষা করিয়ে ২৪ জনের মধ্যে ১৮ জন ফুটবলারের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ফুটবলে করোনা মহামারির খবর চাউর হয়েছে সারা বিশ্বে। তাই বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের রিপোর্ট যা-ই আসুক, তার ওপর ভরসা রাখছে না ফুটবল ফেডারেশন। তারা নতুন পরীক্ষার জন্য ছুটছে দুটি বেসরকারি হাসপাতালে। জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ তাকিয়ে আছেন আগামীকালের পরীক্ষার দিকে, ‘আগামী সোমবার পর্যন্ত আমরা দেখতে চাই। ওই দিন দেশের দুটি নামি বেসরকারি হাসপাতালে প্রত্যেকের পরীক্ষা করানো হবে। প্রত্যেকের দুটি রিপোর্ট একই রকম এলে তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ হবে।’ দুই হাসপাতাল থেকে কারো রিপোর্ট নেগেটিভ পাওয়া গেলে তাঁর জন্য খুলে যাবে ক্যাম্পের দুয়ার। দুই রকম রিপোর্ট এলে তাঁকে অপেক্ষায় রাখা হবে কিছুদিন। দুই জায়গা থেকে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেলে তাঁকে নেওয়া হবে চিকিৎসার আওতায়। সংক্রমিতদের দ্রুত সারিয়ে তোলাই হবে বাফুফের লক্ষ্য।

তাই আপাতত বন্ধ সারাহ রিসোর্টের ফুটবল ক্যাম্প। করোনার মাখামাখিতে ভেস্তে গেছে আগেভাগে প্রস্তুতি নেওয়ার পরিকল্পনা। তবে কোচের চাহিদামতো ছয় সপ্তাহের ক্যাম্পের কথা বলেছেন কাজী নাবিল, ‘আমাদের প্রথম ম্যাচ ৮ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে। কোচ ম্যাচের আগে ছয় সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন ট্রেনিংয়ের জন্য। এর পরও আমরা আগেভাগে শুরু করেছিলাম। যাদের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, তাদের আগামী ২২-২৩ আগস্টের মধ্যে সুস্থ করে তুলতে পারলেই হবে। এরপর কোচ ছয় সপ্তাহ সময় পাবেন ট্রেনিংয়ের জন্য।’

কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে নতুন শঙ্কা। ৮ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে সেই ম্যাচ সিলেটে হওয়ার মতো অবস্থা আছে কি না। এখানে খেলোয়াড়দের মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার ৭৫ শতাংশ দেখলে আফগানিস্তানও খেলতে আপত্তি জানাতে পারে। এমন প্রতিকূল পরিবেশে ফিফা-এএফসিও বাংলাদেশের ম্যাচ ও ভেন্যু বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বাফুফের আরেক সহসভাপতি তাবিথ আউয়াল অবশ্য সোমবার পর্যন্ত অপেক্ষার কথা বলেছেন, ‘এখনো পর্যন্ত ফিফা-এএফসি থেকে আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। আমরা সোমবার পর্যন্ত অপেক্ষা করি, ওই দিনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আমাদের ক্যাম্পের সামগ্রিক চিত্র স্পষ্ট হবে।’ সে ক্ষেত্রে নতুন খেলোয়াড়ের প্রয়োজন হলে ৮/১০ জনকে ক্যাম্পে ডাকতে পারেন কোচ, তিনি আসছেন ১৭ আগস্ট।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা