kalerkantho

শনিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৮ সফর ১৪৪২

ডমিঙ্গোদের আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা

৮ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ডমিঙ্গোদের আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : অনলাইনে মাঝেমধ্যেই ক্রিকেটারদের নিয়ে বসছেন তিনি। তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ২০১১ সালে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী কোচ গ্যারি কারস্টেনও জুম বৈঠকে নানা পরামর্শ দিয়েছেন মমিনুল হক-মুশফিকুর রহিমদের। কিন্তু খোলা আকাশের নিচে রোদে পুড়ে কাজ করে অভ্যস্ত মানুষের এভাবে আর কত দিন ভালো লাগে! পোর্ট এলিজাবেথে নিজের বাসায় বসে তাই হাঁপিয়েই উঠেছেন বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। কাল হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় সেটিই জানালেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান, ‘সত্যিই কাজে ফিরতে ভীষণ মরিয়া হয়ে আছি আমি।’

মরিয়া হয়ে থাকলেও তাঁর আপাতত নিজের দেশ ছেড়ে আসার কোনো সুযোগই নেই। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করে আছে বেশ কিছুদিন ধরেই। সম্প্রতি মহামারিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় পাঁচ নম্বরেও উঠে এসেছে তারা। এই অবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকায় সব ধরনের আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ আছে। দ্রুতই বিমানবন্দরগুলো খুলে দেওয়ারও কোনো আলামত নেই। তাই বাংলাদেশ দলের অনুশীলন শিবির শুরু হলে হেড কোচকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকছেই। শুধু তো আর ডমিঙ্গো নন, জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে দক্ষিণ আফ্রিকান আছেন আরো তিনজন— ব্যাটিং উপদেষ্টা নেইল ম্যাকেঞ্জি, ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক এবং ফিজিও জুলিয়ান ক্যালেফাতো। অক্টোবরে শ্রীলঙ্কা সফর সামনে রেখে প্রস্তুতি পর্বে তাঁদের পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থাকছেই। যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আশাবাদী যে সহসাই পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং নিজেদের দেশ ছেড়ে আসতে পারবেন এই প্রোটিয়ারা।

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান আকরাম খানও ব্যক্তিগত আলাপে বুঝেছেন, কাজে ফিরতে কতটা উন্মুখ হয়ে আছেন ডমিঙ্গো, ‘আমি যত দূর জানি, তিনি খুব করে চাইছেন এখানে চলে এসে কাজ শুরু করতে।’ কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার অবস্থাও অজানা নয় আকরামের। তবে শ্রীলঙ্কা সফরের সম্ভাব্য সময় (২৪ সেপ্টেম্বর) আসতেও এখনো দেড় মাসের বেশি বাকি। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটির সূচি অক্টোবরের মাঝামাঝি পড়ে থাকলেও সময় হাতে আছে অনেক। আকরাম আপাতত বিষয়টিকে এভাবে দেখতেই আগ্রহী, ‘আমাদের শ্রীলঙ্কা সফরের এখনো দেরি আছে অনেক। আশা করি, যাওয়ার সময় আসতে আসতে দক্ষিণ আফ্রিকার করোনা পরিস্থিতি এত খারাপ থাকবে না এবং ডমিঙ্গোদের আসার ব্যবস্থাও হয়ে যাবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা