kalerkantho

বুধবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৭। ৫ আগস্ট  ২০২০। ১৪ জিলহজ ১৪৪১

ফুটবলে ত্রাণের অপেক্ষা বাড়ছেই

৩১ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফুটবলে ত্রাণের অপেক্ষা বাড়ছেই

ক্রীড়া প্রতিবেদক : করোনা মহামারির মধ্যে বাফুফে একটা সাহায্যের মুলা ঝুলিয়েছিল। সেটা ফিফা কভিড-১৯ ত্রাণ তহবিলের অর্থ, যা হাতে পেলে বিলিয়ে দেওয়া হবে ফুটবলসংশ্লিষ্টদের মধ্যে। সম্প্রতি করোনা হাহাকার খানিকটা থিতিয়ে এলেও ঝুলে আছে বাফুফের সেই ত্রাণের মুলা। কালকের দেওয়া তথ্য হলো, বাফুফে শুধু ফিফার আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছে। খরচ করার নিয়ম-নীতিগুলো জেনেছে। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার সভা হবে ঈদুল আজহার শেষে। এরপর আবেদন এবং অপেক্ষা ফিফার ত্রাণের জন্য।

ফিফার গত জুনের ঘোষণা, ২১১টি দেশকে রিলিফ ফান্ড থেকে দেওয়া হবে এক মিলিয়ন ডলার করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় অঙ্কটা সাড়ে আট কোটি টাকা। এই অর্থ নেওয়ার প্রক্রিয়া বাফুফে জেনেছে পরশু। বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ নিয়মগুলোর কথা বলেছেন এভাবে, ‘কয়েকটি কিস্তিতে দেওয়া হবে টাকাগুলো। প্রথম কিস্তির টাকা খরচের হিসাব-নিকাশ ও কাগজপত্র সঠিকভাবে উপস্থাপনের পর আমরা দ্বিতীয় কিস্তির জন্য আবেদন করতে পারব। তা ছাড়া এই অর্থ কোথায় খরচ করা যাবে, তারও সাত-আটটি খাত তারা বলে দিয়েছে। সেগুলো হলো পুনরায় খেলা শুরুর ব্যবস্থাকরণে, জাতীয় দল, প্রশাসনিকসহ আরো কয়েকটি খাতের কথা বলেছে।’

কিন্তু বাফুফের ত্রাণের মুলায় যে অন্য সব খাতের কথা বলা হয়েছিল। বিশেষ করে ফুটবলে করোনা ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের কথা বলেছিলেন বাফুফে কর্তারা। বাফুফে সম্পাদক অবশ্য কালও সেই কথা বলেছেন, ‘ফিফা ওই সাত-আটটি খাতের ওপর গুরুত্ব দিলেও আমরা তুলে ধরব আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট। মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত ডিএফএ, ক্লাব, ফুটবলার, রেফারি, সংগঠকদের কিভাবে এর আওতায় আনা যায়, সেই ব্যবস্থা করব আমরা। ঈদের পরই এসব নিয়ে ফিফার সঙ্গে জুম মিটিং হবে। পাশাপাশি বাফুফের ফিন্যান্স কমিটির সভা করে ফিফার কাছে আমরা আবেদন করব।’ আবেদন মঞ্জুর করে ফিফা কবে টাকা পাঠাবে, কে জানে। কারণ ফুটবলসংশ্লিষ্টরা যে বাফুফের দিকে চেয়ে আছে করোনার পর থেকে। আশাহত হয়ে ফুটবলাররাও পেশা বদলে রাজমিস্ত্রি কিংবা ইজি বাইকচালক হয়ে যাচ্ছেন!

মন্তব্য