kalerkantho

বুধবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৭। ৫ আগস্ট  ২০২০। ১৪ জিলহজ ১৪৪১

গোল্ডেন শু ইম্মোবিলের!

লিওনেল মেসি, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো আর লুই সুয়ারেস—শেষ ১০ বছরে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু নিজেদেরই করে নিয়েছেন তিন তারকা। এই সময়ে মেসি পাঁচবার, রোনালদো তিন ও সুয়ারেস জিতেছেন দুইবার। বৃত্তটা ভাঙছে হয়তো এবার। লািসও স্ট্রাইকার চিরো ইম্মোবিলে জিততে চলেছেন তা। অন্যদের সঙ্গে তাঁর ব্যবধানটা দেখে নেওয়া যাক একনজরে।

৩১ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গোল্ডেন শু ইম্মোবিলের!

চিরো ইম্মোবিলে

২০১৩-১৪ ও ২০১৭-১৮ মৌসুমে সিরি ‘এ’র সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন চিরো ইম্মোবিলে। কিন্তু এবার তাঁর লড়াইটা ছিল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে। তাতে এতটাই ভালো করেছেন যে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু-ই জিততে চলেছেন লািসও স্ট্রাইকার। পরশু ব্রেসিয়ার বিপক্ষে লক্ষ্যভেদে তাঁর গোল এখন ৩৫টি। একই রাতে গোলহীন থাকা রোনালদো শেষ ম্যাচে  ৪ গোল না করলে তাঁকে আর ধরতে পারছেন না।

 

রবার্ত লেভানদোস্কি

বায়ার্ন মিউনিখের টানা অষ্টম বুন্দেসলিগা জয়ের নায়ক রবার্ত লেভানদোস্কি। ৩৪ গোল করে মৌসুমের বড় একটা সময় তিনিই ছিলেন গোল্ডেন শু জয়ের ফেভারিট। কিন্তু পরশু রাতেই লািসও স্ট্রাইকার চিরো ইম্মোবিলে ছাড়িয়ে গেছেন তাঁকে। ইম্মোবিলের সঙ্গে লড়াইয়ে এখন শুধু ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। তবে পর্তুগিজ তারকাকেও শেষ ম্যাচে প্রায় অসম্ভব সম্ভব করতে হবে ইম্মোবিলেকে পেছনে ফেলতে হলে।

 

রিস্তিয়ানো রোনালদো

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো সব শেষ গোল্ডেন শু জিতেছিলেন ২০১৪-১৫ মৌসুমে। সেবার রিয়ালের জার্সিতে লা লিগায় করেছিলেন ৪৮ গোল। জুভেন্টাসে যোগ দিয়ে হারিয়েছেন ধারটা। তবু এই মৌসুমে ৩১ গোল করে এখন পর্যন্ত ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জয়ের লড়াইয়ে আছেন তিনি। যদিও শেষ ম্যাচে প্রায় অসম্ভব চ্যালেঞ্জ তাঁর সামনে। ইম্মোবিলের চেয়ে পিছিয়ে আছেন ৪ গোল।

 

টিমো ভেরনার

কাগজে-কলমে ৩৪ ম্যাচে ২৮ গোল নিয়ে টিমো ভেরনার রয়েছেন তালিকার ৪ নম্বরে। পয়েন্ট ৫৬। জার্মান লিগে রবার্ত লেভানদোস্কির সঙ্গে লড়াইটা সহজ ছিল না তাঁর। এ মৌসুমে অবশ্য চেলসিতে যোগ দিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চলেছেন জার্মান স্ট্রাইকার।

 

লিওনেল মেসি

পাঁচবারের ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জেতা লিওনেল মেসি এবার থেমেছেন ২৫ গোল করে। তাতে লা লিগার পিচিচি ট্রফি নিশ্চিত হলেও ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শুর লড়াইয়ে পিছিয়ে গেছেন অনেকটাই। বার্সেলোনা এবার লিগ শিরোপাও হারানোয় আর্জেন্টািইন তারাকার আক্ষেপটা বেশিই হওয়ার কথা।

 

আর্লিং হালান্ড

তরুণ আর্লিং হালান্ডের ওপর চোখ পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদের। সলসবুর্গ থেকে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে যোগ দিয়েও নিজের কাজটা ঠিকঠাক করে চলেছেন তিনি। সলসবুর্গের হয়ে ১৪ ম্যাচে ১৬ আর ডর্টমুন্ডের জার্সিতে ১৫ ম্যাচে গোল ১৩টি। দুই ক্লাব মিলিয়ে গোল ২৯। তবে অস্ট্রিয়ান লিগের মান কম হওয়ায় তাঁর পয়েন্ট ৫০।

মন্তব্য