kalerkantho

সোমবার । ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭। ১০ আগস্ট ২০২০ । ১৯ জিলহজ ১৪৪১

আরেক বিশ্বকাপে চোখ মরগানের

১৫ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আরেক বিশ্বকাপে চোখ মরগানের

২০১৯ সালের ১৪ জুলাই। লর্ডসের ব্যালকনিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছিলেন এউইন মরগান। প্রথম ইংলিশ অধিনায়ক হিসেবে কীর্তিটা তাঁর। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সুপার ওভারে গড়ানো রুদ্ধশ্বাস সেই ফাইনাল জয়ের বছর পূর্তি হলো গতকাল। স্মৃতি হাতড়ে মরগান জানালেন, ‘জিমি নিশামের স্লোয়ার বলটা বেন স্টোকস তুলে মেরেছিল লং অনে। মনে হয়েছিল, শেষ, সব শেষ! বেন আউট, এক ওভারে তখনো ১৫ দরকার আমাদের। ওই এক সেকেন্ডের জন্য মনে হয়েছিল আমরা হেরে গেছি।’

শেষ পর্যন্ত ৮৪ রানে অপরাজিত থেকে স্টোকসই ম্যাচটা নিয়ে গিয়েছিলেন সুপার ওভারে। সেখানেও ৩ বলে ৮ রান করে অবদান রাখেন দলের জয়ে। প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের পর ক্রিকেটার হিসেবে নিজের দুনিয়াটা বদলে যাওয়ার কথাই জানালেন মরগান, ‘আমার মনে হয় খেলাটার গুরুত্ব আরো বেড়েছে। রাস্তায় বা ক্যাফেতে লোকে আমাকে দেখলে ছুটে আসে। এভাবেই পৃথিবীটা বদলে গেছে আমার। পুরো ব্যাপারটা আসলে ক্রীড়া উৎসবের, মানুষ শিরোপা জেতাটা পছন্দ করে।’

ওয়ানডের ঠিক পরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি কোনো দল। মরগান এবার গড়তে চান সেই ইতিহাস, ‘টি-টোয়েন্টি ও ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ একসঙ্গে জিততে পারেনি কোনো দল, চ্যালেঞ্জটা তাই দারুণ। বাস্তবতা ভাবলে পরের দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একটা জিততে পারলেও অসাধারণ অর্জন হবে। দুটি আসরই দেশের বাইরে। অস্ট্রেলিয়ায় সব কিছু থাকবে অস্ট্রেলিয়ার মতো আর ভারতেরটা ওদের মতো।’

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয় নিয়ে প্রকাশিত, ‘মরগানস মেন : দি ইনসাইড স্টোরি অব ইংল্যান্ডস রাইজ ফ্রম ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ হিউমিলেশন টু গ্লোরি’ বইয়ে আবার জানানো হয়েছে সুপার ওভারের আগে বেন স্টোকসের চাপে ভোগার কথা। চাপ কাটাতে কী করেছিলেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক? বইটির লেখক নিক হল্ট ও স্টিভ জেমস লিখেছেন, ‘মরগান যখন ড্রেসিংরুমে সবাইকে শান্ত করতে আর পরিকল্পনায় ব্যস্ত, তখন স্টোকস ধীরে বেরিয়ে গিয়েছিলেন কিছুটা শান্তির খোঁজে। তাঁর পুরো শরীরে ঘাম আর ধুলা। ড্রেসিংরুমের পেছনে অ্যাটেনডেন্টদের অফিস আর গোসলখানা পার হয়ে যান এক কোণে। সেখানেই একটি সিগারেট ধরিয়ে শান্ত করেন নিজেকে।’ মেইল অনলাইন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা