kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

ক্রিকেটে আবার ক্যালিপসো সুর

১৪ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রিকেটে আবার ক্যালিপসো সুর

৫. সব শেষ পাঁচ টেস্ট সিরিজেই প্রথম ম্যাচে হারল ইংল্যান্ড। এর আগে ২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড আর দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেও প্রথম ম্যাচ হেরেছিল তারা।
৯. সাউদাম্পটনে ডিআরএসে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদল হয়েছে ৯ বার। এর সাতটিই পক্ষে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অন্যদিকে ৮ বার রিভিউ নিয়ে কেবল দুটি সফল হয়েছে ইংল্যান্ডের।
৫০. ২০১৫ সাল থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ টেস্ট খেলে পাঁচটিই জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জয়ের হার ৫০ শতাংশ। এই সময়ে অন্য দলের বিপক্ষে ৩৪ টেস্টেজয় মাত্র সাতটি।
৬৪. দ্বিতীয় দ্রুততম অলরাউন্ডার হিসেবে ৬৪ টেস্টে ৪ হাজার রান ও ১৫০ উইকেটের মাইলফলকে পা রাখলেন বেন স্টোকস। এক্ষেত্রে দ্রুততম গ্যারি সোবার্সের লেগেছিল ৬৩ টেস্ট।

ক্যালিপসোই বাজল সাউদাম্পটনে। মহাকাব্যিক ৯৫ রানের ইনিংসে জার্মেই ব্ল্যাকউড মাঠ ছাড়ার সময় সম্মান জানাচ্ছিলেন ইংলিশ ক্রিকেটাররাও। অন্য সময় হলে দাঁড়িয়ে পড়ত পুরো গ্যালারি। কিন্তু করোনার মাঝে ক্রিকেট ফেরায় স্টেডিয়াম ছিল দর্শকহীন। ইনিংসটার মাহাত্ম্য কমছে না তাতে। ঝড়ের মুখে বুক চিতিয়ে লড়াই করে ৪ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয়ই এনে দিয়েছেন এই ব্যাটসম্যান।

জোফ্রা আর্চারের গতিতে লাঞ্চের আগে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা দল অসাধারণ জয়ে শুরু করল তিন টেস্টের সিরিজটা। ক্যারিবীয় পেসাররা গতি আর সুইংয়ের মিশেলে নিয়েছেন ১৮ উইকেট। এ জন্যই মাত্র ২০০ রানের লক্ষ্য পায় জেসন হোল্ডারের দল। তাঁদের বীরত্বে ক্যারিবীয়দের সোনালি অতীত মনে করাচ্ছিল ইংলিশ সাবেক ক্রিকেটার ডেভিড লয়েডকে, ‘অসাধারণ এক টেস্ট। সোনালি অতীত ফেরাল ক্যারিবীয়রা।’ ইংলিশ সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভনও মুগ্ধ তাতে, ‘দারুণ এক সপ্তাহ কাটল। টেস্টটা ছিল অসাধারণ। কোনো প্রশ্ন ছাড়া বলব, যোগ্য দলই ম্যাচ জিতেছে।’

ইংল্যান্ড প্রিয় প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। দুই দলের সব শেষ সিরিজ জিতেছে জেসন হোল্ডারের দল। ২০১৫ সালের পর খেলা ১০ টেস্টের পাঁচটি জিতেছে তারা। তবে সাউদাম্পটনের জয়টাকে অন্যতম সেরাই বললেন হোল্ডার, ‘চতুর্থ দিনটা ছিল আমার নেতৃত্বের সেরা। আর এই জয়টা দল হিসেবে আমাদের সেরাগুলোর একটি। যখনই কাউকে বল করতে বলেছি, তারা নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। আমি ভীষণ খুশি। কঠোর পরিশ্রমের ফল পেয়েছি আমরা।’

ব্ল্যাকউডের টেস্ট গড় ৩১.২৫ কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেটা ৫৫। অথচ শিমরন হেটমায়ার ও ডোয়াইন ব্রাভো করোনা আতঙ্কে নাম প্রত্যাহার না করলে একাদশেই হয়তো থাকা হতো না ব্ল্যাকউডের! ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের নতুন এই তারকাকে প্রশংসায় ভাসালেন হোল্ডার, ‘চাপের মুখে খেলা এই ইনিংস স্মরণীয় হয়ে থাকবে অনেক দিন। বল হাতে গ্যাব্রিয়েলও অসাধারণ। হৃদয়টা অনেক বড় ওর।’ ব্ল্যাকউড বীরত্বের পরও ৯ উইকেট নেওয়ায় ম্যাচ সেরার পুরস্কারটা কিন্তু গ্যাব্রিয়েলের।

বৃষ্টিস্নাত কন্ডিশনে শুরুতে ব্যাটিং নেওয়া আর স্টুয়ার্ট ব্রডকে বাদ দেওয়ায় সমালোচিত অধিনায়ক বেন স্টোকস। ব্রড তো ক্ষোভই জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে। এর পরও খুশি স্টোকস, ‘ব্রড নিজের রাগটা না দেখালে বরং হতাশ হতাম আমি। পাঁচ দিনে গড়ানো ম্যাচ সব সময় দারুণ। আমরা নিজেদের ইনিংসটা কাজে লাগাতে পারিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অভিনন্দন।’ ক্রিকইনফো

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা