kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

ব্ল্যাকউড বীরত্বে রোমাঞ্চকর জয়

১৩ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্ল্যাকউড বীরত্বে রোমাঞ্চকর জয়

অপেক্ষা ছিল শেষ দিনের রোমাঞ্চের। সেটাই হলো সাউদাম্পটনে। জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ২০০ রান। তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জোফ্রা আর্চারের গতিতে টালমাটাল জেসন হোল্ডারের দল। ৭ রানে ২ আর লাঞ্চের আগে ৩৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো কাঁপছিল সফরকারীরা। আর্চার ২ ও মার্ক উডের শিকার ১ উইকেট। তবে এর পরই রোস্টন চেস ও জার্মেই ব্ল্যাকউডের প্রতিরোধ। চতুর্থ উইকেটে ৭৩ রানের জুটি দুজনের। চেস ৩৭ করে ফেরার পর ব্ল্যাকউড খেলেন ৯৫ রানের অসাধারণ ইনিংস। তাঁর কাঁধে ভর করে উইন্ডিজ পেয়েছে ৪ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয়।

চোটের জন্য গত সেপ্টেম্বর থেকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেননি শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। সেই তিনি প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে পেলেন ৫ উইকেট। ৮ উইকেটে ২৮৪ রান নিয়ে পঞ্চম দিন শুরু করা ইংল্যান্ডের শেষ ২ উইকেটই গ্যাব্রিয়েলের। বার্বাডোজে জন্ম নেওয়া আর্চারের ৪ বাউন্ডারিতে ২৩ রানের ইনিংসে ইংল্যান্ডের স্কোর পৌঁছে ৩১৩ পর্যন্ত।

প্রথম ইনিংসে উইকেটহীন থাকায় স্টুয়ার্ট ব্রডকে ফেলে আর্চারকে খেলানোয় টিম ম্যানেজমেন্টের সমালোচনা করেছিলেন অনেকে। তাঁর প্রথম বলেই পায়ে আঘাত পান জন ক্যাম্পবেল। অপর ওপেনার গ্রেগ ব্রাথওয়েটকে আর্চার বোল্ড করেন ৪ রানে। ধাক্কাটা না কাটতেই তাঁর আগুনে গোলায় ০ রানে এলবিডাব্লিউ শামারাহ ব্রুকস। এর পরই শুরু জার্মেই ব্ল্যাকউডের লড়াই। ইংল্যান্ড হয়তো তাঁর প্রিয় প্রতিপক্ষ। দলটির বিপক্ষে চতুর্থ ইনিংসে ২০১৫ সালে অ্যান্টিগায় ৩১, বার্বাডোজে ৪৭*, ২০১৭ সালে লিডসে করেছিলেন ৪১। শেষ দুটি ম্যাচ জিতেছিল উইন্ডিজ। গতকাল ৫ রানে ডম বেসের বলে জীবন পান বেন স্টোকস ক্যাচ ফেলায়। জীবন পান ২০ ও ২৯ রানেও, যা কাজে লাগিয়ে খেললেন ১২ বাউন্ডারিতে ৯৫ রানের অসাধারণ ইনিংস। জয়ও পেয়েছে ক্যারিবীয়রা। ক্রিকইনফো

ইংল্যান্ড : ২০৪ ও ১১১.২ ওভারে ৩১৩ (ক্রাউলি ৭৬, সিবলে ৫০, স্টোকস ৪৬, আর্চার ২৩; গ্যাব্রিয়েল ৫/৭৫)।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ৩১৮ ও ৬৪.২ ওভারে ২০০/৬ (ব্ল্যাকউড ৯৫, চেস ৩৭; আর্চার ৩/৪৫)।

ফল : ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে জয়ী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা