kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

অপেক্ষায় দিন গুনছেন বাকী

১৩ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অপেক্ষায় দিন গুনছেন বাকী

ক্রীড়া প্রতিবেদক : মার্চে করোনা সংক্রমণের মধ্যেও আর্চারদের অনুশীলন করতে দেখে শ্যুটার আব্দুল্লাহেল বাকীও তেমন আইসোলেটেড ক্যাম্পে আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন। চার মাস পর হলেও সেই ক্যাম্প ফেরানোর পরিকল্পনায় স্বাভাবিকভাবেই তিনি উচ্ছ্বসিত, ‘লম্বা গ্যাপ হয়ে আছে। শ্যুটিং ক্যারিয়ার শুরুর পর এত লম্বা সময় বোধ হয় খেলাটি থেকে বাইরে থাকিনি। খুব ভালো হয় সব রকম সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের ক্যাম্পটি যদি আবার শুরু করা যায়। কারণ সামনে অলিম্পিক, এই মুহূর্তে কেউ আর বসে নেই।’

করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক দেশেই খেলাধুলা অনেকটাই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। অলিম্পিকে অংশ নিতে যাওয়া শ্যুটাররাও এরই মধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। যাঁদের নিজস্ব রেঞ্জ আছে, তাঁরা তো অনলাইনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশও নিচ্ছেন। গত দুটি বছর বাকী চেষ্টা করেছেন অলিম্পিক কোটার জন্য। শেষ পর্যন্ত তা মেলেনি। তবে এবারও ওয়াইল্ড কার্ডে তাঁর খেলা নিশ্চিত। কিন্তু করোনার কারণে লম্বা সময় শ্যুটিং রেঞ্জের বাইরে থাকায় খেলাটি একরকম ভুলতে বসেছেন। বাসায় শুধু ফিটনেস অনুশীলনই চালিয়ে যেতে পেরেছেন, রাইফেলও হাতে পাননি, সেটি ক্লাবে জমা রাখা। সব বাধা পেরিয়ে রাইফেলটি হাতে নিতে পারলেই তিনি খুশি। যদিও শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে বাকীসহ বেশ কয়েকজন শ্যুটারকে এনবিআরের তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তাতে শ্যুটাররা যথেষ্টই বিব্রত। সেই রাইফেল নিয়ে আবার শ্যুটিংয়ে ফিরে তাঁদের পুরো মনোনিবেশ করা কঠিন বৈকি। বাকী অবশ্য রাইফেল ইস্যুতে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর আশা যত দ্রুত সম্ভব বিষয়টি সুরাহা হয়ে যাবে, এবং আবার তাঁরা খেলায় ফিরবেন।

গত এপ্রিলের শুরুতে দিল্লিতে হওয়ার কথা ছিল শ্যুটিং বিশ্বকাপ। বাকীসহ বাংলাদেশের ছয় শ্যুটারেরও অংশ নেওয়ার কথা ছিল তাতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত করোনার কারণে সেই বিশ্বকাপই স্থগিত হয়ে যায়। বলতে গেলে এরপর কোথাও আর কোনো আন্তর্জাতিক শ্যুটিংই হয়নি। বাকীরাও ঘরবন্দি। অনুশীলনে ফিরলে অলিম্পিকের আগে অবশ্যই আর কোনো আন্তর্জাতিক আসরে নিজেদের পরখ করে নিতে চান তাঁরা।

গত এপ্রিলের শুরুতে দিল্লিতে হওয়ার কথা ছিল শ্যুটিং বিশ্বকাপ। বাকীসহ বাংলাদেশের ছয় শ্যুটারেরও অংশ নেওয়ার কথা ছিল তাতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত করোনার কারণে সেই বিশ্বকাপই স্থগিত হয়ে যায়। বলতে গেলে এরপর কোথাও আর কোনো আন্তর্জাতিক শ্যুটিংই হয়নি। বাকীরাও ঘরবন্দি। অনুশীলনে ফিরলে অলিম্পিকের আগে অবশ্যই আর কোনো আন্তর্জাতিক আসরে নিজেদের পরখ করে নিতে চান তাঁরা। যদিও আগামী বছর সেই আসরগুলোর কোনোটিই এখনো চূড়ান্ত নয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা