kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

জেরার মুখে আরো ৯ শ্যুটার

১০ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : দ্বিতীয় দফায় ৯ জন শ্যুটার কাল ‘কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর’-এর জেরার মুখোমুখি হয়েছেন। ২০১৭ সালে জার্মানি থেকে আনা রাইফেল, পিস্তলে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে এই শ্যুটারদের বিরুদ্ধে। অথচ এই রাইফেল দিয়েই তাঁরা দেশকে একের পর এক পদক এনে দিয়েছেন। কাল জেরার মুখোমুখি হওয়া শোভন চৌধুরী বলেছেন, ‘শুল্কের বিষয়টা আমরা জানতামই না। আর এই রাইফেল তো আমরা লুকিয়ে রাখিনি। এর মধ্যে একের পর এক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছি, সাফল্য পেয়েছি।’

সেই রাইফেলের জন্য এখন একরকম অপরাধীর মতো তাঁদের তদন্তের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, যা ‘খুবই দুঃখজনক’ বলে মনে করেন দক্ষিণ এশীয় গেমসে সোনাজয়ী শোভন। এ মুহূর্তে শীর্ষ পর্যায়ের প্রত্যেক শ্যুটারকেই এই তদন্তের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এর আগে গত রবিবার শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের অফিসে গিয়ে জবাবদিহি করে আসতে হয়েছে টানা দুটি কমনওয়েলথ গেমসে রুপা জেতা আব্দুল্লাহেল বাকী, রাব্বি হাসান, রিসালাতুল ইসলাম ও অর্নব শারারকে। কাল শোভনের সঙ্গে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগে হাজির হয়েছেন ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমসে রুপা জেতা শাকিল আহমেদ, আরদিনা ফেরদৌস, আতকিয়া হাসান, রবিউল হাসান, আরমিন আশা, জুঁই, আলিফ ও সুফিয়ানকে। শোভন সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে নিজের রাইফেলের জন্য জবাবদিহি করে গেছেন। দেশের জন্য খেলে এভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় আর সবার মতো তিনিও বিব্রত, ‘এই করোনার মধ্যে আমরা আসতে বাধ্য হয়েছি। জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড় হিসেবে এমন কিছুর জন্য জবাবদিহি করতে হবে কখনো ভাবিনি। যত দূর জেনেছি, আমাদের বিরুদ্ধে কেউ একজন চিঠি দিয়েছে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ তুলে। কিন্তু এই রাইফেলগুলো দিয়ে যেহেতু আমরা জাতীয় দলের হয়েই খেলে আসছি। তাই এটা অন্যভাবেও কি মীমাংসা হতে পারত না? আমাদেরকে এভাবে একরকম কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হলো—এটাই বিব্রতকর।’

করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে আর্চারি ও শ্যুটিংয়ের মতো ব্যক্তিগত খেলাগুলোকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে কাল। কিন্তু এমন দায় মাথায় নিয়ে শ্যুটাররা কি খেলায় মনোনিবেশ করতে পারবেন পুরোপুরি?

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা