kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

ঘুরেফিরে বোর্ডের দরজায়

৯ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঘুরেফিরে বোর্ডের দরজায়

ক্রীড়া প্রতিবেদক : লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ক্রিকেটারদের সৌভাগ্যবানই বলতে হয়। করোনায় স্থগিত হয়ে যাওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরুর আগেই যাঁর যাঁর চুক্তিমূল্যের অর্ধেক টাকা বুঝে পেয়েছেন তাঁরা। খেলা চললে এত দিনে আরো পেতেন বলেও দাবি ক্লাবটির যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির আহমেদের, ‘আমরা আরো শতকরা ২৫ ভাগের অগ্রিম চেক দিয়ে রেখেছিলাম খেলোয়াড়দের। বলা হয়েছিল, ছয়টি খেলা হওয়ার পরে ওরা চেক ভাঙিয়ে নেবে।’

কিন্তু একটি খেলা হওয়ার পরেই লিগ থমকে যায়। তবু রূপগঞ্জের মতো আবাহনী, প্রাইম ব্যাংক এবং প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়াড়রাও অর্থ প্রাপ্তির দিক থেকে আছেন ‘কমফোর্ট জোন’-এ। কিন্তু বাকি দলগুলোর ক্রিকেটারদের অবস্থা একদমই এ রকম নয়। এমনকি কেউ কেউ এক কানাকড়িও পাননি। তাতে সংসারের চাকাও অচল অনেকের।

এটা সচল রাখতেই ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিকের শতকরা ৫০ ভাগ ঈদের আগেই পরিশোধের দাবি জানানো হয়েছে। গত পরশু রাতে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের অনলাইন সভায় আমন্ত্রিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালক ও ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা সিসিডিএম প্রধান কাজী ইনাম আহমেদ এবং বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর কাছে সে দাবি পেশও করা হয়েছে। কাল কোয়াবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খেলা শুরুর আগেই ৫০ শতাংশ পারিশ্রমিক পরিশোধের বহু পুরনো ‘ঐতিহ্য’ই অনুসরণ করার অনুরোধ করেছেন তাঁরা। তবে কোয়াব সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল বিসিবির কোর্টেই বল ঠেলে দিয়ে বসে আছেন, ‘আমরা এ বিষয়ে বোর্ডকে ক্লাবগুলোর সঙ্গে কথা বলার অনুরোধ জানিয়েছি।’

যদিও মোহামেডান ক্লাব কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের কাছে কোয়াবের দাবিকে বাস্তবসম্মত মনে হয়নি, ‘আমরা ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক আগেই দিয়েছি। কথা ছিল আরো ২৫ শতাংশ কিছু খেলা হয়ে যাওয়ার পর দেব। কিন্তু খেলা তো বন্ধই হয়ে গেল। কবে হবে, নিশ্চয়তাও নেই কোনো। খেলা যদি আর না হয়, তখন এই টাকা ফেরত পাব? ডোনারদেরও অবস্থা ভালো নয়। ঈদের আগে ৫০ শতাংশ পরিশোধের দাবিকে তাই আমি অবাস্তবসম্মতই বলব।’ মোহামেডানের ক্রিকেট কমিটি প্রধান মাসুদ আহমেদ বল ঠেলেছেন বোর্ডের কোর্টেই, ‘আমি সিসিডিএমেরও সহসভাপতি। এখানে স্বার্থের সংঘাত হয়ে যায় যদিও। তবু বলছি, ক্রিকেটাররাও মানসিকভাবে খারাপ অবস্থায় আছে। তাই ওদের পারিশ্রমিক একটু এগিয়ে রাখতে পারলে ভালো হয়। ভালো হয় বোর্ড যদি কিছু টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা