kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

ঘরের মাঠের সব ম্যাচ সিলেটে!

৮ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঘরের মাঠের সব ম্যাচ সিলেটে!

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামকে ঘিরে এখন কোনো তৎপরতা নেই। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ লেগে পড়েছে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম নিয়ে। কারণ আগামী ৮ অক্টোবর এখানেই হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের বাকি দুটি ম্যাচও হতে পারে এই ভেন্যুতে। বাফুফে অন্তত নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের তিনটি হোম ম্যাচ সিলেটে আয়োজনের।

বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল গত ২৬ মার্চ। করোনা মহামারিতে তা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় ম্যাচটি আগামী ৮ অক্টোবর হবে সিলেট স্টেডিয়ামে। তাই স্টেডিয়াম উন্নয়নের তোড়জোড় আবার শুরু হয়ে গেছে। ২৬ মার্চে ম্যাচ ধরে আগে থেকেই শুরু হয়েছিল চেয়ার বসানোর কাজ। লকডাউনের কারণে মাঝে থেমে গেলেও এখন আবার চলছে। এ ছাড়া ড্রেসিংরুম, ভিআইপি গ্যালারি, মিডিয়া বক্স ইত্যাদি নিয়ে কোনো সমস্যা নেই বলে দাবি করেছেন সিলেট জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহিউদ্দিন সেলিম, ‘চেয়ার বসানোর কাজ ৭০ ভাগ হয়ে গেছে, বাকিটা দেড়-দুই মাসের মধ্যে হয়ে যাবে। তবে আগে ২৫ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার স্টেডিয়াম এখন প্রায় অর্ধেকেরও নিচে নেমে আসবে। এ ছাড়া ড্রেসিংরুম নিয়ে কোনো সমস্যা নেই, নতুন ভবনে দুটি আধুনিক ড্রেসিংরুম করা হয়েছে। আশা করি, ফ্লাডলাইটের পরিমাণও বেড়ে যাবে। ৮ অক্টোবরের ম্যাচ আয়োজনের জন্য আমরা প্রস্তুত।’

সিলেটে আফগানিস্তান ম্যাচের পর বাংলাদেশ যাবে কাতারে, দোহায় ১৩ অক্টোবর স্বাগতিক দলের সঙ্গে খেলবে অ্যাওয়ে ম্যাচ। এরপর ১২ ও ১৭ নভেম্বর নিজেদের মাঠে বাংলাদেশের দুটি ম্যাচ আছে ভারত ও ওমানের বিপক্ষে। এই ম্যাচ দুটির বেলায়ও বাফুফে ঝুঁকছে সিলেটের দিকে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজনে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে চেয়ার। ফিফা-এএফসির আন্তর্জাতিক ম্যাচের শর্ত হলো গ্যালারিতে চেয়ার লাগবে। ২০১১ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুতে চেয়ার বসানো হলেও সেগুলো এখন ফসিলে রূপ নিয়েছে। কোনো কোনো জায়গায় সমূলে উৎপাটন করা হয়েছে চেয়ার, অর্ধেকেরও বেশি ভাঙাচোরা, সামান্য কিছু টিকে আছে রংচটা রূপ নিয়ে। বাফুফে অবস্থা ফেরানোর তাগিদ দিলেও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষে স্বল্প সময়ে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের রূপ বদলানো কঠিন। তাই বাফুফে বাকি দুটি হোম ম্যাচও সিলেটে আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ বলেছেন, ‘সিলেট স্টেডিয়াম নিয়ে তো কোনো সমস্যা থাকছে না। সেখানে ফ্লাডলাইটের ক্ষমতাও বাড়ানো হবে ম্যাচের আগে। ভালো মানের হোটেলও আছে সেখানে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে যখন সমস্যা আছে তখন বাকি দুটি ম্যাচ আমরা সিলেটেও করতে পারি।’ সেটা তারা ফিফা-এএফসিকে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, যার জবাব পাওয়া যাবে এ মাসে।

আয়োজক সিলেট জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহিউদ্দিন সেলিমও বাকি দুই ম্যাচের ব্যাপারে নিশ্চিত কিছু বলতে পারছেন না, ‘ভারত ও ওমানের বিপক্ষে শেষ দুটি ম্যাচের ব্যাপারে আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। মৌখিকভাবে বলা হয়েছে বাফুফের তরফ থেকে। তবে আমাদের তরফ থেকে কোনো সমস্যা নেই। শুধু বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের দর্শক সামাল দেওয়াটা সমস্যা হয়ে যেতে পারে। তবে করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। দর্শক ঢোকার অনুমতি ফিফা দেবে কি না, সেটাও একটা ব্যাপার।’ এর আগে উপচে পড়া দর্শক নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল সিলেট স্টেডিয়ামে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা