kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

তাঁর স্নেহাবিষ্ট মোহামেডান

১ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তাঁর স্নেহাবিষ্ট মোহামেডান

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ১৯৮৫ সালে ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন কামরুননাহার ডানা মোহামেডানের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকার দায়িত্ব পান। ক্লাবে তখন সেটা নতুন পদ, ডানাও তখনো খেলা ছাড়েননি। এর মধ্যেই সংগঠক হিসেবে তাঁর গড়ে ওঠার পেছনে বড় অবদান তৎকালীন মোহামেডান সভাপতি আব্দুল মোনেমের, ‘উনার স্নেহ, উৎসাহ পেয়েছিলাম বলেই সংগঠক হিসেবে আমাকে কখনো পেছনে তাকাতে হয়নি। ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন তখন যা করতে পারত না, একাধিক খেলা আয়োজন, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করা—মোনেম ভাই ছিলেন বলে মোহামেডান ক্লাব থেকে একের পর এক আমরা সেগুলো করতে থাকি। উনি অসম্ভব ভালো মানুষ ছিলেন, ক্লাব সভাপতি হয়েও খেলোয়াড়দের পাশে থাকতেন আপনজনের মতো।’

কাল সেই স্নেহের হাতটাই হারালেন মোহামেডানের আশি-নব্বইয়ের দশকের খেলোয়াড়রা। ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত মোহামেডানের সভাপতির দায়িত্বে থাকা দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি আব্দুল মোনেম পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। তাঁর সময়েই ফুটবলে হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতে সাদা-কালোরা। ১৯৮৬-৮৮ সময়কালে হ্যাটট্রিক পূরণ করার মৌসুমে আবাহনী থেকে মোহামেডানে যোগ দেওয়া ইমতিয়াজ সুলতান জনিও ভুলতে পারেননি প্রিয় ‘মোনেম ভাই’য়ের কথা, ‘ক্লাব সভাপতি হিসেবে কখনোই দূরত্ব রাখেননি উনি। ওই সময়ে আবাহনী থেকে মোহামেডানে এসে মানিয়ে নেওয়াটা সহজ কথা ছিল না। কিন্তু ক্লাবে আমি তেমন বন্ধুসুলভ একটা পরিবেশ পেয়েছিলাম বলেই শেষ পর্যন্ত আমি মোহামেডানের জনিই হয়ে গেছি। মোনেম ভাইকে সব সময় পেয়েছি ভীষণ আন্তরিক। উনার সময় বলতে গেলে স্বর্ণসময়ই পার করেছে মোহামেডান। অথচ তখন ক্লাব চালানোটা এখনকার চেয়ে অনেক কঠিন ছিল।’ আশি-নব্বইয়ের দশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নাম করেছিল মোহামেডান। এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে ছিল সেরাদের কাতারেই। তাই মোহামেডানের ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে আব্দুল মোনেমের নাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা