kalerkantho

সোমবার । ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৫  মে ২০২০। ১ শাওয়াল ১৪৪১

তামিমের শেষ লাইভে আসছেন না সাকিব

২২ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তামিমের শেষ লাইভে আসছেন না সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ভিনদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে তামিম ইকবালের লাইভ আড্ডা শুরু হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ফাফ দু প্লেসিসকে দিয়ে। এরপর রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি এবং আকরাম খান-মিনহাজুল আবেদীন-খালেদ মাসুদদের সঙ্গে আড্ডায় পাকিস্তানি কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরামকেও যুক্ত করা বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক গতকাল তাঁর লাইভের বিদেশি পর্ব শেষ করলেন কেন উইলিয়ামসনকে দিয়ে। করোনাকালে মানুষকে কিছুটা বিনোদন দিতে গত ২ মে থেকে ইনস্টাগ্রামে শুরু করে পরে ফেসবুকে নিয়ে আসা আড্ডারও অবশেষে ইতি টানছেন তামিম। আর মাত্র একটি লাইভই করতে যাচ্ছেন তিনি। সেটি শনিবার রাত সাড়ে ১০টায়। যে পর্বটি তিনি সাজাতে চেয়েছিলেন অনেক ভক্তের মনের মতো করেই। কিন্তু শেষ লাইভটি মনের মতো হচ্ছে না তামিমেরও। ক্রিকেটভক্তদের ঘরে থাকার হাঁসফাঁস করা সময় কিছুটা হলেও রাঙিয়ে তুলতে পারা এই বাঁহাতি ওপেনারের আয়োজন শেষ হচ্ছে অপূর্ণতা নিয়েই।

যাঁদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে শেষ করতে চেয়েছিলেন তামিম, তাঁদের একজন যে ‘ব্যক্তিগত কারণে’ লাইভে আসতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। সেই তিনি সাকিব আল হাসান। এই অলরাউন্ডার আসছেন না বলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘পঞ্চপাণ্ডব’দেরও একসঙ্গে লাইভে দেখার গণচাহিদা পূরণ হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার দুপুরে উইলিয়ামসনের সঙ্গে লাইভের শেষে তামিম নিজেই জানিয়েছেন সেটি। আগে অবশ্য দিয়েছেন শনিবার তাঁর আয়োজন শেষ করার খবর, ‘আমরা প্রায় শেষ দিকে চলে এসেছি। একটু খারাপও লাগছে, কারণ আমি যত দিন এই শো করেছি, উপভোগ করেছি। আমাদের শেষ এপিসোড হবে শনিবার। আশা করি সবাই দেখবেন।’

সবাই দেখলেও পঞ্চপাবের সবাইকে না পাওয়ার দুঃসংবাদটিও দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, “আরেকটা জিনিস পরিষ্কার করে দিতে চাই। অনেককে বলতে শুনেছি যে ‘সাকিব কবে আসবে, সাকিব কবে আসবে।’ আমি ওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। চেয়েছিলাম, শেষ শো আমরা পাঁচজন মিলে করব। এটিই আমার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে হয়তো ওর কোনো ব্যক্তিগত কারণে সে যুক্ত হতে পারবে না আমাদের সঙ্গে।”

তবে সাকিবের না আসা নিয়ে কোনো জল্পনাকল্পনাও চান না তামিম। সে জন্য এ অনুরোধও করে রেখেছেন যে ‘এটা নিয়ে বেশি আলোচনার দরকার নেই। মানুষের ব্যক্তিগত কাজ থাকতেই পারে। সবার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো উচিত। আমি অন্যদের প্রতি কৃতজ্ঞ, যারা রাজি হয়েছে। আমরা পাঁচজন একসঙ্গে করতে পারব না, তবে চারজন একসঙ্গে অবশ্যই করছি। আশা করি, আপনারা উপভোগ করবেন।’ সাকিব না থাকলেও ঠিকই থাকছেন মুশফিকুর রহিম, মাহমুদ উল্লাহ ও মাশরাফি বিন মর্তুজা। যাঁদের দিয়ে প্রথম তিনটি এপিসোড সাজিয়েছিলেন তামিম। অন্যান্য জাতীয় ক্রিকেটারদেরও লাইভে এনেছেন তিনি। একটি পর্বে রুবেল হোসেন ও তাসকিন আহমেদের সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত করেছিলেন নাসির হোসেনকে। যেমন তাইজুল ইসলাম যুক্ত হয়েছিলেন মমিনুল হক, লিটন কুমার দাস ও সৌম্য সরকারদের সঙ্গে। নাঈমুর রহমান, খালেদ মাহমুদ ও হাবিবুল বাশারের মতো সাবেক অধিনায়কদের নিয়ে পর্বটিও ছিল বেশ জমজমাট। শুরুটা জমিয়ে তোলা মুশফিক-মাহমুদ-মাশরাফিরা থাকছেন শেষেও। শেষটা একেবারে পরিপূর্ণ হতো সাকিব থাকলে। যেটি এখন আর হচ্ছে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা