kalerkantho

রবিবার। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৭ জুন ২০২০। ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

ঘরে আর মন বসছে না ওদের

২০ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : ‘বাফুফে ভবনে যখন টানা ক্যাম্প চলত আমাদের, তখন বাসার জন্য প্রায়ই মন খারাপ হতো। মনে হতো আমাদের লম্বা একটা ছুটি পাওয়া প্রয়োজন। সেই ছুটিই এখন কাটাচ্ছি, আর তা শেষই হচ্ছে না। সত্যি বলতে, ঘরে থাকতে থাকতে হাঁপিয়েই গেছি। ক্যাম্পের কথা, বন্ধুদের কথা খুব মনে পড়ছে, ইচ্ছা হয় বল নিয়ে এখনই বেরিয়ে পড়ি।’ সেই বেরিয়ে পড়া আর হচ্ছে না মিশরাত জাহানের। বাফুফের সৌজন্যে ফেসবুকে এক লাইভ আড্ডায় বন্ধুদের সঙ্গে মনের কথাগুলো ভাগাভাগি করেই আপাতত সান্ত্বনা পেতে হচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৯ সাফজয়ী অধিনায়ককে।

বাফুফের সৌজন্যে ফেসবুকে এক লাইভ আড্ডায় বন্ধুদের সঙ্গে মনের কথাগুলো ভাগাভাগি করেই আপাতত সান্ত্বনা পেতে হচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৯ সাফজয়ী অধিনায়ককে।

মেয়েদের মূল জাতীয় দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন, অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৬ দলের অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা, এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাই চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশকে শিরোপা জেতানো আরেক অধিনায়ক কৃষ্ণা রানী সরকার, সঙ্গে ডিফেন্ডার আঁখি খাতুন ও স্ট্রাইকার সারাবান তহুরা ছিলেন এই আড্ডায়। সঞ্চালনায় ছিলেন বাফুফে মিডিয়া অফিসার খালিদ মাহমুদ। মাঠে ফেরার আকুলতায় মিশরাতের সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন আসলে সবাই। আঁখি যেমন বলছিলেন, ‘বাসায় থাকতে ভালো-মন্দ দুটোই লাগছে। কাল আমরা মেয়েরা সারা বছর বলতে গেলে ক্যাম্পেই থাকি, বাসাতেই থাকি কম। এখন পরিবারের সবার সঙ্গে সময় কাটাতে পারছি, এটা একটা আনন্দের বিষয়। আবার ফুটবল ক্যাম্পটাও মিস করছি ভীষণ, কারণ ওটাতেই আমরা সবাই অভ্যস্ত হয়ে হয়ে গিয়েছিলাম।’ লাইভ আড্ডার একপর্যায়ে মহিলা জাতীয় দলের কোচ গোলাম রব্বানী যুক্ত হন। সাবিনা, আঁখি, মারিয়াদের জন্য সেটি ছিল একটা চমক। খেলা ছাড়া থাকাটা তাঁর জন্যও যে কঠিন হয়ে উঠেছে, বলছিলেন সেটিই, ‘সেই ভোর ৫টা থেকে মেয়েদের নিয়ে আমার কাজ শুরু হতো, সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরতাম। সেই রুটিনে এমন দীর্ঘ একটা ছেদ পড়বে ভাবতেই পারিনি। আশা করি তোমরা বাড়িতে যার যার মতো করে ফিটনেসটা ধরে রাখতে চেষ্টা করবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা