kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

সেই ছকে বাঁধা জীবন

বসুন্ধরা কিংসের অন্য বিদেশিরা ঢাকাতেই থেকে গেছেন। খেলা না থাকার সময়টাও যে কলিনড্রেসের এমন পেশাদারত্বেই মোড়া।

১ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেই ছকে বাঁধা জীবন

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ‘ঘুম থেকে উঠে নাশতা করি, এক্সারসাইজ করি কিছুক্ষণ; এরপর গোসল, দুপুরের খাবার, কিছু সময় পড়ি; বিকেলে কফি, সন্ধ্যায় টিভি দেখা, পরিবারের সঙ্গে কাটানো, ফোনে কথা বলা, রাতের খাবার, ঘুম—এই তো।’ করোনা আক্রান্ত সময়ে ঘরে বন্দি জীবন কেমন কাটছে জানতে চাওয়ার পরই সারা দিনের পুরো রুটিন জানিয়ে দিয়েছেন ডেনিয়েল কলিনড্রেস। হার্নান বার্কোস স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ব্রাজিলে ফিরলেও বসুন্ধরা কিংসের অন্য বিদেশিরা ঢাকাতেই থেকে গেছেন। এখানেই পরিবার নিয়ে থাকেন সবাই। খেলা না থাকার সময়টাও যে কলিনড্রেসের এমন পেশাদারত্বেই মোড়া।

করোনা আতঙ্ক তাতে নেই ঠিক, তবে দুর্ভাবনা যে নেই তা বলা যাবে না। স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় থাকলেও কোস্টারিকাতেই আছেন তাঁর পরিবারের আর সবাই। আর এখন করোনার বিস্তার তো সবখানেই, সেই দুশ্চিন্তাটা তাই আছেই, ‘সবখানেই এখন আক্রান্তের সংখ্যাটা বাড়ছে। পরিস্থিতিটা তাই জটিল। আমার পরিবারের সবাই অবশ্য এখনো ভালো আছে। প্রার্থনা করি তা-ই যেন থাকে।’ ঢাকায় লিগ আবার কবে শুরু হবে, এই ভাবনাটা এখন অবশ্য মুলতবিই রেখেছেন কলিনড্রেস, জানেন করোনা পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করছে সব। তাই বাসাতেই ব্যায়াম করে যথাসম্ভব ফিট থাকার চেষ্টা করছেন। তার জন্য সাহায্য পাচ্ছেন বসুন্ধরার ফিটনেস কোচেরও, ‘প্রতিদিন সকালেই সে আমাকে মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেয় কী কী করতে হবে। বাসায় তেমন পরিবেশেও আছি আমরা। তাই ফিটনেসের কাজ চালিয়ে যেতে সমস্যা হচ্ছে না।’ বসুন্ধরা অবশ্য খুব বাজেভাবে এই বিরতিটাতে গেছে, লিগে শেষ দুটি ম্যাচে টানা হেরে। মাঠে ফেরার আগে দলের বেশ কিছু বিষয়ে কাজ করার আছে বলেও তাই জানিয়েছেন কলিনড্রেস, ‘কিছু বিষয়ে আরো বিস্তারিত কাজ করতে হবে আমাদের। তা ছাড়া হার্নান বার্কোসকে আমরা লিগে পাচ্ছি না। ইনজুরিতে থাকা মতিন, মাশুকদেরও মিস করছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা