kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

মাবিয়াদের আশা ও বিষাদ

২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাবিয়াদের আশা ও বিষাদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : গত সপ্তাহ পর্যন্তও অনুশীলনে ছিলেন মাবিয়া আক্তার। করোনা ঝুঁকির মধ্যে সবাই ছুটিতে চলে গেলেও তিনি একাই অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন, কারণ সামনে অলিম্পিক। টানা দুটি দক্ষিণ এশীয় গেমসে সোনা জেতা ভারোত্তোলক টোকিও অলিম্পিকের কোটা অর্জন করেননি ঠিক, কিন্তু এবার ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে হলেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞে পা রাখার ভালোই সম্ভাবনা ছিল তাঁর। অলিম্পিক এক বছর পিছিয়ে যাওয়াতে মাবিয়াও থমকে গেছেন।

করোনাই আসলে থমকে দিয়েছে সব। অলিম্পিক পেছানোর সিদ্ধান্তের আগেই তো মাবিয়া গৃহবন্দি হয়ে গেছেন, ‘ঢাকা শহর তো একরকম লকডাউনই হয়ে গেছে। এ সপ্তাহে তাই আর আমি অনুশীলনই শুরু করতে পারিনি। এর মধ্যেই শুনলাম অলিম্পিক পেছানোর খবর। এটা এক দিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। এই মুহূর্তে কেউই তো আমরা ঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারছিলাম না।’ নেপালে গত দক্ষিণ এশীয় গেমসে সোনা জেতা কারাতেকা হুমায়রা আক্তারের নামেও আবেদন পাঠানো হয়েছিল এবার ওয়াইল্ড কার্ডের জন্য। টোকিওতে পা রাখার স্বপ্নে উড়ছিলেন তিনিও। সেই স্বপ্নে প্রথম হানা দেয় করোনা। যার ফলে বাড়ির ভেতর অনুশীলন গুটিয়ে আনতে হয়। এর পর থেকেই আসলে আশঙ্কার মধ্যে ছিলেন অলিম্পিক পেছানোর, শেষ পর্যন্ত সেটিই হলো। এসএ গেমসের সোনা জিতে ফেরার পর থেকে তাঁর যে উচ্ছ্বাস, ক্রমেই ম্লান হয়ে তা এখন বিষাদে পরিণত হয়েছে, ‘এমন একটা বছর আমরা কেউই প্রত্যাশা করিনি। ঘরের মধ্যে থেকেও সবাই তীব্র ভয়ের মধ্যে আছি। অলিম্পিকটা তাই পেছাতেই হতো। অথচ এসব কিছু না হলে কত সুন্দর একটা বছরই না আমি কাটাতে পারতাম। মাত্রই এসএ গেমস থেকে সোনা জিতে ফিরেছি, এই বছরটা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো বেশি করে মেলে ধরার সুযোগ ছিল আমাদের।’ চিরন্তন লড়িয়ে মাবিয়া অবশ্য লড়াইটা ছাড়ছেন না, ‘২০১৬তেও আমার ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়ার কথা ছিল, ফেডারেশনের কমিটি নিয়ে জটিলতায় সেটা পাইনি। চার বছর অপেক্ষার পর আবার তা এক বছর পিছিয়ে গেল। তবে আমি আশা ছাড়ছি না। ২০২১-এ আমি বরং আরো তৈরি হয়ে যেতে চাই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা