kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

বিদায় বললেন শারাপোভা

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিদায় বললেন শারাপোভা

কিংবদন্তিরা বোধহয় এভাবেই খুঁজে নেন একে অন্যকে। ইয়ুভগেনি কাফেলনিকভের বাবা ছিলেন মারিয়া শারাপোভার বাবার বন্ধু। কাফেলনিকভ রুশ দেশ থেকে প্রথম টেনিসে ওয়ার্ল্ড নাম্বার ওয়ান হয়েছিলেন। তা বন্ধুর ছোট্ট মেয়েকে সেই কাফেলনিকভেরই একখানা পুরনো র‌্যাকেট দিয়েছিলেন, তা দিয়েই চার বছর বয়সে টেনিসে হাতেখড়ি মারিয়ার। পেশাদার ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন ৩২ বছর বয়সে, পাঁচটি গ্র্যান্ড স্লাম আর ৩৬টি ডাব্লিউটিএ শিরোপার সঙ্গে অলিম্পিকে রুপার পদক জেতার পর। বিদায় জানিয়ে দিলেন মারিয়া শারাপোভা, অবশ্য বিদায় ঘণ্টিটা শোনা যাচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। ডোপ কেলেংকারির পর ফিরে এসে আগের সেই রূপে আর ধরা দিচ্ছিলেন না। সবশেষ তিনটি গ্র্যান্ড স্লামে বিদায় নিয়েছেন প্রথম রাউন্ডেই। তাই বর্তমানের ব্যর্থতার পূর্বের সাফল্যকে ঢাকতে না চেয়ে অবসরই নিয়ে নিলেন মারিয়া শারাপোভা।

বিদায়ি ঘোষণায় শারাপোভা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘টেনিস আমাকে গোটা দুনিয়া দেখিয়েছে আর আমাকে দেখিয়েছে আমি কী হতে পারি। টেনিস দিয়েই আমি আমার পরীক্ষা নিয়েছি আর যাচাই করেছি কতটা বড় হয়ে উঠেছি আমি। যা-ই হোক, এখন আমি আমার পরবর্তী লক্ষ্য খুঁজে নেব, লিখব জীবনের পরবর্তী অধ্যায়। আমি চড়াই বেয়ে উঠব, আমি এগিয়ে যাব।’ ১৭ বছর বয়সী হাস্যোজ্জ্বল এক কিশোরীর গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রূপকথা দিয়ে শুরু হয়েছিল শারাপোভার গল্প। আস্তে আস্তে তাতে লেগেছে কঠিন বাস্তবতার ছাপ। ক্রমশ বাড়তে থাকা কাঁধের চোট, ডোপ কেলেংকারিতে নিষিদ্ধ হওয়া—সব কিছু মিলিয়ে তাঁর র‌্যাংকিং গিয়ে ঠেকেছে ৩৭৩ নম্বরে! তাই এখনই বিদায় বললেন শারাপোভা, ‘আমার সাফল্যের অন্যতম সূত্র হচ্ছে আমি সামনের দিকেও তাকাইনি আর পেছনের দিকেও তাকাইনি।’ রুশ নাগরিক হয়েও ফ্লোরিডাতেই স্থায়ী হওয়া শারাপোভা এখন সাবেক, তাঁর সামনে নতুন কোনো শুরুর হাতছানি। এএফপি

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা