kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল কিংস

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল কিংস

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ছন্দে ফিরেছে বসুন্ধরা কিংস। দেশি-বিদেশি সবার পায়েই ফুটবলের সুরভি ছড়াতে শুরু করেছে। তাদের ফুটবল সুরভিত হলে প্রতিপক্ষের দাঁড়ানোর আর সুযোগ থাকে না। প্রথমার্ধে ব্রাদার্স দাঁড়াতে পারেনি। কিন্তু বিরতির পর চ্যাম্পিয়নদের একটু ঢিলেঢালা ভাব হতেই সহজ ম্যাচ কঠিন করে ৩-২ গোলে জেতে বসুন্ধরা কিংস।

প্রথমার্ধের বিবেচনায় এখনো পর্যন্ত এটি তাদের সেরা ম্যাচ। এত দিন এই সেরাটা, অর্থাৎ গত মৌসুমের অপ্রতিরোধ্য গতিটা খুঁজে ফিরছিল বসুন্ধরা কিংস। এর আগে বারিধারার বিপক্ষে লিগের প্রথম ম্যাচটি জিততে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। পরের ম্যাচে তো ড্র-ই করে বসে বাংলাদেশ পুলিশের বিপক্ষে। দুটির তুলনায় সম্পূর্ণ আলাদা এই ম্যাচ, যা বোঝা গেছে শুরু থেকে। ১৪ মিনিটেই শুরু হতে পারত তাদের গোল উৎসব। বিপলুর ডান দিক থেকে বাড়ানো ক্রসে তৌহিদুল আলমের ট্যাপ অবিশ্বাস্য সেভ করেন ব্রাদার্স গোলরক্ষক জাফর। মিনিটতিনেক বাদেই এই গোলরক্ষক কাছের পোস্ট আগলেও ঠেকাতে পারেননি ইব্রাহিমের শট। ডান দিক দিয়ে ঢোকা এই উইঙ্গার বক্সের ওপর থেকে লক্ষ্যভেদ করেন। ৩১ মিনিটে ব্যবধান বেড়ে দ্বিগুণ হতে পারত। কাউন্টারে মাঝমাঠ থেকে বিপলুর ব্রাদার্সমুখী দৌড় শুরু হয়। তিন ডিফেন্ডার মিলেও পারেননি তাঁকে আটকে রাখতে। তাঁর শট গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলেও ফাঁকায় থাকা ইব্রাহিম বল তুলে দেন পোস্টের ওপরে। অথচ বিরতির আগে আগে এই উইঙ্গার দুর্দান্ত এক গোল করে ব্যবধান বড় করেন। ৪৪ মিনিটে মিনিটে ব্রাদার্সের এক ডিফেন্ডার ও শেষে গোলরক্ষককে বডিডজে পরাস্ত করে ইব্রাহিম কঠিন কোণ থেকে বল পাঠিয়ে দেন ব্রাদার্সের জালে। ইব্রাহিমের জোড়া গোলের পর ৪৭ মিনিটে কোস্টারিকান বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনদ্রেসের চমৎকার শটে কিংস এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে।

এই বড় লিডই যেন কাল হয়েছে তাদের। কিংসের খেলায় একটু ঢিলেঢালা ভাব আসতেই সুযোগ নেওয়া শুরু করে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। এই সুযোগে ৬৪ মিনিটে কিংসলে চিগোজি ব্যবধান কমান। কিংসের রক্ষণ এই নাইজেরিয়ানকে এতটা সময় দিয়েছে গোল না করেও যে তাঁরও যেন উপায় ছিল না। ৭৬ মিনিটে আরেক গোল করেন ব্রাদার্সের অরূপ। এই ১৩ মিনিটে দুই গোলে ম্যাচ ট্র্যাজেডির দিকে রওনা দিলে আবার কিংসের খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষায় ফুটে ওঠে ম্যাচ জেতার তেজ।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা