kalerkantho

সোমবার । ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ১  জুন ২০২০। ৮ শাওয়াল ১৪৪১

ফাইনাল রাজ্জাকের নিয়ন্ত্রণে!

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : জাতীয় দলে, লিগে এ অঞ্চলের ক্রিকেটারদের দাপটই বেশি। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের এবারের আসরেও সাফল্যের আরেকটি পালক যুক্ত হতে যাচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলের মুকুটে। গতকাল তৃতীয় দিনের খেলা শেষে তেমনই ইঙ্গিত। এরই মধ্যে ৩৩৮ রানে এগিয়ে গেছে প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চল। বাকি ২ উইকেট নিয়ে আজ প্রতিপক্ষ ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চলের ওপর রানের বোঝা আরেকটু বাড়াতে পারে আব্দুর রাজ্জাকের দল। পাঁচ দিনের ফাইনাল জয়ের কাজটা আরো কঠিন হয়ে উঠবে পূর্বাঞ্চলের জন্য।

ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়ম করে যা হয় আর কি, আব্দুর রাজ্জাকের বাঁহাতি স্পিনে লুটিয়ে পড়ে প্রতিপক্ষ। গতকালও তা-ই হয়েছে। ৪ উইকেটে ২১১ রান তোলা পূর্বাঞ্চল যখন প্রথম ইনিংসে কাছে চলে আসার প্রচ্ছন্ন হুমকি দিচ্ছে, তখনই স্বমূর্তিতে আবির্ভূত রাজ্জাক। ভাঙেন আফিফ হোসেন ও তানজিদ হাসানের মধ্যকার জমে ওঠা জুটি। অবশ্য আফিফেরটা ইনিংসে চতুর্থ শিকার। রাজ্জাকের পঞ্চম শিকার আরো বড়; পূর্বাঞ্চলের সর্বোচ্চ স্কোরার তানজিদের, ৮২ রান করেছেন এ বাঁহাতি। পরে তিনি আরো দুটি উইকেট নিলে ২৭৩ রানে গুটিয়ে যায় পূর্বাঞ্চল।

২১৩ রানে এগিয়ে থাকায় স্বভাবতই দ্রুত রান তুলে সরাসরি জিতে পঞ্চমবারের মতো শিরোপা জয়ের ছক এঁকেছে দক্ষিণাঞ্চল। দ্রুত রান তোলার ‘মরণনেশা’য় বিপদও হতে পারত দলটির। লোয়ার অর্ডারে নামা মেহেদী হাসান সম্ভাব্য বিপদ থেকে অভয় জুগিয়েছেন দলকে। চার বাউন্ডারি আর এক ছক্কায় ইনিংস সর্বোচ্চ ৪১ রানকে বাড়ানোর সুযোগও আছে এ তরুণের সামনে। পূর্বাঞ্চলের আবু হায়দারের সামনেও আছে ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার সুযোগ, ৪ উইকেট নেওয়া হয়ে গেছে তাঁর।

তবে ম্যাচের ভাগ্য প্রবলভাবে ঝুঁকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আব্দুর রাজ্জাকের দলের দিকে। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেওয়া স্পিনার চতুর্থ ইনিংসে কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন, তা সহজেই অনুমেয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চল : ৪৮৬ ও ১২৫/৮ (মেহেদী ব্যাটিং ৪১, রাজ্জাক ব্যাটিং ১, আবু হায়দার ৪/৫১; হাসান ২/২২, রুয়েল ২/২২)।

ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল : ৮৬.৩ ওভারে ২৭৩/১০ (তানজিদ ৮২, আফিফ ৪৭, রাজ্জাক ৭/১০২; শফিউল ২/৭২)।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা