kalerkantho

শনিবার । ২১ চৈত্র ১৪২৬। ৪ এপ্রিল ২০২০। ৯ শাবান ১৪৪১

নেইমার এমবাপ্পে ম্লান যাঁর কাছে

চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্রুততম ১০ গোল

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নেইমার এমবাপ্পে ম্লান যাঁর কাছে

প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ের মুখোমুখি হওয়ার ঠিক আগেই বলেছিলেন, কিলিয়ান এমবাপ্পেকে প্রেরণা মানেন। ফরাসি তারকাকে দেখেই বোঝেন উনিশে করার আছে আরো অনেক কিছু। ওই ম্যাচের আগ পর্যন্ত আর্লিং হালান্ডের চুম্বক পরিসংখ্যান—বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে ৬ ম্যাচে ৯ গোল, তার আগে রেড বুল সলজবুর্গের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বেই ৮ গোল। অভিষেকেই হ্যাটট্রিক করেছিলেন, ডর্টমুন্ডের হয়ে এই জানুয়ারিতে অভিষেকেও তাই। নরওয়ের এই ১৯ বছর বয়সী তারকাকে নিয়ে মাতামাতি তাই গত কিছুদিন ধরেই। কিন্তু হালান্ড পা মাটিতে রেখেই দেখিয়েছিলেন বিশ্বকাপজয়ী কিলিয়ান এমবাপ্পেকে।

পরশু রাতে এই দুজনের মুখোমুখি হওয়াতে তাই বাড়তি আকর্ষণ ছিলই। চোট কাটিয়ে ফেরা নেইমারও শুরুর একাদশে ঢুকে চমকে দেন। কিন্তু হালান্ড যে গোল-জোয়ারে ভাসছেন, তাঁকে থামাবে কে! সিগন্যাল ইদুনা পার্কে তাই দুই মহাতারকাই ম্লান এই টিন এজারের কাছে। ডর্টমুন্ডের ২-১ গোলের জয়ে দুটি গোলই করে এমন উচ্চতা ছুঁয়েছেন যেখানে পা পড়েনি এমবাপ্পে-নেইমার কেন, লিওনেল মেসি-ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর মতো ইতিহাস সেরাদেরও। কী করেছেন হালান্ড, চ্যাম্পিয়নস লিগ ক্যারিয়ারের প্রথম ৭ ম্যাচেই ১০ গোল। এত দ্রুত এর আগে আর কেউই চ্যাম্পিয়নস লিগ গোলে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। দ্বিতীয় দ্রুততম যা তার চেয়েও ৪ ম্যাচ কম খেলেছেন হালান্ড। ১৯ বছর বয়সে এমবাপ্পেও দশের বেশি গোল করেছেন, কিন্তু হালান্ড তা করলেন এক মৌসুমেই। এক মৌসুম কোথায়, আরো ঢের ম্যাচ যে বাকিই। ডর্টমুন্ডের হয়ে ৭ ম্যাচও যে পুরো সময় খেলেছেন তা তো নয়, প্রথম একাদশে গত পরশুসহ ছিলেন মাত্র তিন ম্যাচে। জানুয়ারিতে এসে দুই ম্যাচে বদলি নেমেই ৫ গোল করে ফেলা এই স্ট্রাইকারকে মাসের সেরা খেলোয়াড় ঘোষণা করতেও দেরি করেনি বুন্দেসলিগা কর্তৃপক্ষ। হালান্ড পরশু রাতের পরও পা মাটিতেই রাখছেন, ‘আজ ম্যাচ সেরা হওয়ায় সত্যি খুশি। তবে আমাকে আরো ভালো খেলতে হবে। এখনো আমার উন্নতির জায়গা অনেক।’

চ্যাম্পিয়নস লিগ শেষ ষোলোর এ ম্যাচে প্রথমার্ধটা গোলশূন্যই ছিল। যদিও ডর্টমুন্ডের তারুণ্যনির্ভর আক্রমণে তাদের গোলের অপেক্ষাটাই ছিল বেশি। ৬৯ মিনিটে হালান্ডের পা থেকে সেই গোল আসে, কেইলর নাভাসের হাত থেকে ফিরে আসা বল আলতো টোকায় জালে পাঠিয়ে দিলে। প্রতিক্রিয়ায় অন্য প্রান্তে নেইমার লক্ষ্যভেদ করেছেন এমবাপ্পের ক্রসে। কিন্তু এটুকুই, ৭৭ মিনিটে হালান্ডের পা থেকেই জয়সূচক গোল, এবার ২০ গজ দূর থেকে দারুণ লক্ষ্যভেদী শটে। বিবিসি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা