kalerkantho

সোমবার । ৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সবচেয়ে ধনী পিএসজি

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সবচেয়ে ধনী পিএসজি

নেইমারকে রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোয় কিনেছে পিএসজি। কিলিয়ান এমবাপ্পের দামটাও আকাশছোঁয়া। সঙ্গে এদিনসন কাভানি, আনহেল দি মারিয়া, থিয়াগো সিলভা, মাউরো ইকার্দিদের নিয়ে রীতিমতো চাঁদের হাট। তবে উয়েফার ফেয়ার প্লে নীতি ভাঙার অভিযোগে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল ফরাসি ক্লাবটির। গত বছর ৫৮ মিলিয়ন পাউন্ড ঋণ কমিয়ে আপাতত স্বস্তি। এর পরও ‘সকারেক্স ফুটবল ফিন্যান্স ১০০ রিপোর্ট’-এর গবেষণা অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্লাব এখন পিএসজি। এত দিন শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটিকে পেছনে ফেলেছে নেইমার-এমবাপ্পেদের দল।

ক্লাবের বর্তমান খেলোয়াড়দের দাম, দৃশ্যমান সম্পদ, ব্যাংক হিসাবের টাকা, ক্লাব মালিকের সম্ভাব্য বিনিয়োগ আর ঋণের অঙ্ক মিলিয়ে করা হয়েছে ‘ফুটবল ফিন্যান্স ইনডেক্স স্কোর’। সর্বোচ্চ ৫.৩১৮ স্কোর পিএসজির। দুইয়ে পিছিয়ে যাওয়া ম্যানচেস্টার সিটির স্কোর ৫.১৯৭। ঋণ কমার পাশাপাশি সিটির চেয়ে ব্যাংকে পাঁচগুণ বেশি টাকা রয়েছে পিএসজির। এই হিসাব একেবারে হাওয়ায় পাওয়া নয়। ক্লাবের প্রকাশিত বার্ষিক রিপোর্ট আর আয়-ব্যয়ের হিসাব, দ্য ফিন্যানশিয়াল টাইমস, ব্লুমবার্গ, ইয়াহু ফিন্যান্স, ফোর্বস, ট্রান্সফার মার্কেটের রিপোর্ট মিলিয়ে করা হয়েছে এটা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের হিসাবে গতকাল প্রকাশিত হয়েছে এবারের প্রতিবেদন।

ফোর্বসের হিসাবে বার্সেলোনা সবচেয়ে ধনী ক্লাবের স্বীকৃতি পেলেও সব কিছু মিলিয়ে ‘সকারেক্স ফুটবল ফিন্যান্স ১০০ রিপোর্ট’-এর হিসাবে বার্সা নেই সেরা দশে। নেইমারের ক্লাব ছাড়া আর বর্তমান খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য কমে যাওয়া এর অন্যতম কারণ। গতবারের চেয়ে কাতালানরা পাঁচ ধাপ পিছিয়ে এখন ১২ নম্বরে। তাদের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী রিয়াল মাদ্রিদ গত মৌসুমে হারিয়েছে শিরোপাটা। এর পরও এক ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছে পাঁচ নম্বরে। তরুণরা পরিণত হলে তাদের আরো এগোনোর সম্ভাবনার কথা জানিয়ে রেখেছে সংস্থাটি।

তালিকায় সবচেয়ে বেশি পিছিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। আট ধাপ নেমে তারা এখন ১৬ নম্বরে। চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী লিভারপুল তিন ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছে আটে। এবার প্রিমিয়ার লিগ জিতলে নিশ্চিতভাবে আরো এগিয়ে যাবে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ডেইলি মেইল

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা