kalerkantho

রবিবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৯ নভেম্বর ২০২০। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

রোনালদোয় রক্ষা জুভেন্টাসের

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রোনালদোয় রক্ষা জুভেন্টাসের

ম্যাচের বিজ্ঞাপন ছিল জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ-ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর লড়াই। ৩৮ বছরের ইব্রা জাদুকরী কিছু মুহূর্ত উপহার দিলেও শেষ হাসি রোনালদোর। তাঁর বিতর্কিত পেনাল্টিতে কোপা ইতালিয়া সেমিফাইনালের প্রথম লেগে এসি মিলানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে জুভেন্টাস। শেষ বাঁশি বাজার কিছুক্ষণ আগে নেওয়া স্পট কিকটি স্নায়ুর চাপে নষ্ট করেননি পর্তুগিজ যুবরাজ।

এদিকে স্প্যানিশ কোপা দেল রে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে রিয়াল সোসিয়েদাদ ২-১ গোলে হারিয়েছে মিরান্দেসকে। কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদকে ৪-৩ গোলে হারিয়েছিল সোসিয়েদাদ। তবে হারলেও আশা শেষ হয়নি প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা দ্বিতীয় বিভাগের একমাত্র দলটির। নিজেদের মাঠে ফিরতি লেগে ১-০ ব্যবধানে জিতলে ফাইনালের টিকিট পাবে তারা।

সান সিরোয় প্রথম মিনিটে গোল পেতে পারতেন ইব্রাহিমোভিচ। কিন্তু তাঁর হেড চলে যায় গোলবারের ওপর দিয়ে। অল্পের জন্য তাঁর একটি ব্যাকহিল ফ্লিক বাইরে যায় পোস্ট ঘেঁষে। বিরতির পর মিলানকে এগিয়ে দেন আন্তে রেবিচ। দাপটে খেলা মিলান ৭১ মিনিটে পরিণত হয় ১০ জনের দলে। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন থিও এর্নান্দেস। মিলানের আরো এক ধাক্কা হলুদ কার্ড দেখায় দ্বিতীয় লেগে খেলতে পারবেন না ইব্রাহিমোভিচ। কোয়ার্টার ফাইনালেও হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। এর আগে মিলানে থাকার সময় ২০১১ সালের ১০ মে কোপা ইতালিয়ার সেমিফাইনালেও দেখেছিলেন হলুদ কার্ড। 

৩৮ বছরের ইব্রা জাদুকরী কিছু মুহূর্ত উপহার দিলেও শেষ হাসি রোনালদোর। তাঁর বিতর্কিত পেনাল্টিতে কোপা ইতালিয়া সেমিফাইনালের প্রথম লেগে এসি মিলানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে জুভেন্টাস।

গোল শোধে মরিয়া জুভেন্টাস ঝাঁপিয়ে পড়ে ১০ জনের মিলানের বিপক্ষে। এর পরও নির্ধারিত ৯০ মিনিটে তারা ভাঙতে পারেনি মিলানের রক্ষণ দেয়াল। ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে রোনালদোর বিতর্কিত পেনাল্টিতে স্বস্তির ১-১ সমতায় মাঠ ছাড়ে মরিসিও সারির দল। ডি বক্সে নেওয়া রোনালদোর বাইসাইকেল কিক লেগেছিল দাভিদ কালাবিরিয়ার হাতে। বল হাতে লাগার সময় তিনি মুখ করেছিলেন উল্টো দিকে। ভিএআরের সাহায্যে রেফারি পেনাল্টি দেওয়ায় দেখা দিয়েছে বিতর্কের। এ জন্য ক্ষুব্ধ মিলান কোচ স্তেফানো পিওলি, ‘এই গোলের মুভের আগে ফাউলের শিকার হয়েছিল ইব্রাহিমোভিচ। রোনালদোর শট যেভাবে দাভিদের হাতে লেগেছে সেটাও পেনাল্টি দেওয়া যায় না কোনোভাবে।’

এ নিয়ে টানা ১১ ম্যাচে গোল করলেন রোনালদো। এ বছর খেলা ৮ ম্যাচে করেছেন ১২ গোল। এত গোল করেও সব শেষ ৪ ম্যাচের ৩টিতে জেতা হয়নি রোনালদোর জুভেন্টাসের। এ জন্যই চাকরি হারানোর চাপে কোচ মরিসিও সারি। ইএসপিএন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা