kalerkantho

রবিবার । ৯ কার্তিক ১৪২৭। ২৫ অক্টোবর ২০২০। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

মোহামেডান ও সাইফের শুভ সূচনা

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



মোহামেডান ও সাইফের শুভ সূচনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : নিজেদের ভেন্যুতে অতি কষ্টে জিতেছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। জাতীয় দলের অনেক খেলোয়াড় নিয়ে গড়া এই দলটি গতকাল ময়মনসিংহে ১-০ গোলে হারিয়েছে রহমতগঞ্জকে। ঢাকায় দিনের অন্য ম্যাচে মোহামেডান ১-০ গোলে আরামবাগকে হারিয়ে শুরু করেছে প্রিমিয়ার লিগ।

ময়মনসিংহে রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে সাইফের সঙ্গে দারুণ লড়াই করেছে রহমতগঞ্জ। জামাল ভূঁইয়া, রহমত, রিয়াদুল, ইয়াসির আরাফাতের মতো জাতীয় দলের ফুটবলার ছাড়াও এবার বেশ কিছু ভালো বিদেশি খেলছেন সাইফ স্পোর্টিংয়ে। পাশাপাশি কোচ বদলেছে তারা। ফেডারেশন কাপ ব্যর্থতার পর মালদ্বীপের নিজামকে বাদ দিয়ে তারা লিগের জন্য দায়িত্ব তুলে দিয়েছে ক্রোয়েশিয়ান কোচ দ্রাগো মামিচের হাতে। তুমুল লড়াই করে নতুন কোচের অধীনে শুভ সূচনা করেছে সাইফ স্পোর্টিং।

ম্যাচ শুরুর ৮ মিনিটের মাথায় রহমতগঞ্জ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। ২৯ মিনিটে সাইফের সাজ্জাদ হোসেন নষ্ট করেন একটি সুযোগ। তাই বিরতির পর মরিয়া হয়ে ওঠে সাইফ স্পোর্টিং এবং ৬১ মিনিটে পেয়ে যায় দারুণ এক ফ্রি-কিক গোল। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে রুয়ান্ডার এমেরি বাইসেঙ্গের গোলার মতো শটটি ঝাঁপিয়ে পড়েও রক্ষা করতে পারেননি। ম্যাচ শেষের মিনিটখানেক আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ এসেছিল। কিরগিজ মুরোলিমজন আখমেদভের শট সেভ করেন রহমতগঞ্জ গোলরক্ষক।

ঢাকায় মোহামেডান জিতলেও দারুণ লড়াই করেছে আরামবাগ। অথচ এই আরামবাগ মৌসুমের শুরুতে অনিশ্চয়তায় ছিল দল গঠন নিয়ে। সেই দলই কিনা সাদা-কালোর সঙ্গে তুমুল লড়াই করেছে। তবে মোহামেডানের মালির ফরোয়ার্ড সোলেমানে দিয়েবাতের চমৎকার খেলা আর নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার ওপচুকু ওবি মোনেকের গতির সামনে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রথমার্ধে। ৩০ মিনিটে প্রায় হাফ-লাইন থেকে ওবি মোনেকের দুর্দান্ত এক দৌড়ের সঙ্গে পেরে ওঠেনি আরামবাগ।

ঢাকায় মোহামেডান জিতলেও দারুণ লড়াই করেছে আরামবাগ। অথচ এই আরামবাগ মৌসুমের শুরুতে অনিশ্চয়তায় ছিল দল গঠন নিয়ে। সেই দলই কিনা সাদা-কালোর সঙ্গে তুমুল লড়াই করেছে। তবে মোহামেডানের মালির ফরোয়ার্ড সোলেমানে দিয়েবাতের চমৎকার খেলা আর নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার ওপচুকু ওবি মোনেকের গতির সামনে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রথমার্ধে। ৩০ মিনিটে প্রায় হাফ-লাইন থেকে ওবি মোনেকের দুর্দান্ত এক দৌড়ের সঙ্গে পেরে ওঠেনি আরামবাগ। তাদের একজনের কাছ থেকে বলটা কেড়ে নিয়ে ওবি মোনেক বাঁদিক দিয়ে ঢুকে দূরের পোস্টে চমৎকার ফিনিশ করে এগিয়ে নেন সাদা-কালোদের।

মজা হলো, এই গোলে অনেকে ধোঁকা খেয়েছেন। বিশেষ করে যাঁরা তখন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ঢুকেছেন তাঁরা জার্সি দেখে ধোঁকা খেয়েছেন। এদিন তারা সবুজ রঙের অ্যাওয়ে জার্সি গায়ে নেমেছিল। আগে এই জার্সিতে তারা খেলেনি বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঐতিহ্যবাহী দলটি নিজেদের হোম ভেন্যু করেছে কুমিল্লায়, তাই ওই গোল মোহামেডানের জালে কি না সেই নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছিল কেউ কেউ। তাৎক্ষণিকের বিভ্রান্তি কাটিয়ে আবার তারা লিডের আনন্দে মেতেছে। বিরতির পর পর সোলেমানে দিয়াবাতে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সব আয়োজন করেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছেন। আরামবাগ গোলরক্ষককে পরাস্ত করেও বল তুলে দিয়েছেন পোস্টের ওপর! কিন্তু এক গোলের লিডে যে জয় নিশ্চিত করা কঠিন। তা ছাড়া আরামবাগও ম্যাচে ফেরার মতো সুযোগ তৈরি করছিল। ৫০ মিনিটে কাউন্টারে এলিটা কিংসলের ক্রসে খোলা পোস্ট ছেড়ে বাইরে মারেন মোস্তফা মাহমুদ। এরপর আরো দুটো সুযোগ নষ্ট করেন এই মিসরীয় মিডফিল্ডার। প্রতিটি মুভে তাঁকে দেখে মনে হয়েছে আনফিট। নইলে ওই সময় গোল বের করে ম্যাচে ফিরতে পারত আরামবাগ। ৫২ মিনিটে অবশ্য ইউসুফ সিফাতের শট গিয়ে লাগে ক্রসবারে। এরপর একচেটিয়া খেলে সাদা-কালোরা জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা