kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

মুখোমুখি প্রতিদিন

কিংসে জাতীয় দলের মতোই লাগছে

মেয়েদের ফুটবলে জাতীয় দলে খেলেই অনেকে তারকাখ্যাতি পেয়ে গেছেন অথচ এখনো লিগ খেলার অভিজ্ঞতা হয়নি তাঁদের। সেই তারকাদেরই একজন মারিয়া মান্ডা এবার বসুন্ধরা কিংসের হয়ে মাঠ মাতাবেন। কাল আনুষ্ঠানিক দলবদল শেষে কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে সে প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি

২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিংসে জাতীয় দলের মতোই লাগছে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ফুটবল খেলা শুরুর পর তো লিগ খেলার অভিজ্ঞতা হয়নি আপনার, এবার প্রথমবারের মতো খেলতে যাচ্ছেন, কতটা রোমাঞ্চিত?

মারিয়া মান্ডা : অনেক ভালো লাগছে। এর আগেও লিগ হয়েছে জানি। কিন্তু তখন তো আমি খেলাই শুরু করিনি। এবার প্রথমবারের মতো সেই লিগ খেলতে যাচ্ছি। খুব ভালো লাগছে। তা ছাড়া ভালো একটা দলেও নাম লিখিয়েছি আমি—বসুন্ধরা কিংস।

প্রশ্ন : অর্থাৎ প্রথমবারের মতো কোনো ক্লাবেও যুক্ত হলে, কেমন লাগছে সেখানে?

মারিয়া : জাতীয় দলে আমরা সবাই যেমন একসঙ্গে ছিলাম, ক্লাবেও সেভাবেই আছি। বসুন্ধরা কিংসে তো আমাদের জাতীয় দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই। তাই ক্লাবে আলাদা পার্থক্য কিছু লাগছে না।

প্রশ্ন : সুযোগ-সুবিধার দিক দিয়ে?

মারিয়া : ওখানে যা আমাদের প্রয়োজন সব কিছুই পাচ্ছি। বসুন্ধরা কিংসের নিজস্ব মাঠ আছে। সেখানেই অনুশীলন করছি। কোনো দিক দিয়েই আমাদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।

প্রশ্ন : জাতীয় প্রায় সব খেলোয়াড়ই যেহেতু একসঙ্গে, চ্যাম্পিয়ন হওয়াই তো লক্ষ্য...

মারিয়া : হ্যাঁ, আমরা যেহেতু ভালো ক্লাবে গিয়েছি, অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য এখন শিরোপা জেতা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো দলই এটা।

প্রশ্ন : তবে বসুন্ধরা যতটা শক্তিশালী হয়েছে, অন্য দলগুলো মোটেও তা নয়। তাতে লিগটা কি যথেষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে?

মারিয়া : সেটা বলতে পারছি না। সবাই-ই তো চায় সেরা দলটা গড়ে চ্যাম্পিয়ন হতে। বসুন্ধরার হয়ে আমরা সেটাই চেষ্টা করব। অন্য দলগুলোও নিশ্চয় ছেড়ে কথা বলবে না। তারাও কম শক্তিশালী নয়।

প্রশ্ন : সর্বশেষ যখন লিগ হয়েছিল তখন আবাহনী, মোহামেডানের মতো বড় দলগুলো অংশ নিয়েছিল, আপনারাও নিশ্চয় চান কিংসের পাশাপাশি এই ক্লাবগুলো আবার মেয়েদের ফুটবলে ফিরুক?

মারিয়া : অবশ্যই। আগামী লিগেই আমরা এই বড় ক্লাবগুলোকে মেয়েদের ফুটবলে দেখতে চাই। তাহলে আমাদের লিগটাই আরো এগিয়ে যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা