kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সেতিয়েনের বার্সার শুরু আজ

লিভারপুলের সামনে ম্যানইউ

১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেতিয়েনের বার্সার শুরু আজ

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে তাদের চাইতে ভালো শুরু নেই আর কোনো দলের। বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবল লিগকে রীতিমতো ছেলেখেলা বানিয়ে ২১ ম্যাচ অপরাজিত লিভারপুল। দুঃসময় পার করা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আছে পাঁচে, তবে ২৭ পয়েন্টের ব্যবধানে সত্যিকার ফারাকটা আকাশ-পাতাল। লিগে নিজেদের মাঠে অজেয় লিভারপুলের সামনে আজ খোঁড়াতে থাকা ম্যানইউ। সাম্প্রতিক ফর্ম, খেলোয়াড়দের নাম এমনকি কোচের অভিজ্ঞতাও পাশাপাশি রেখে তুলনা করলে অনেকটা পেছনেই থাকবে রেড ডেভিলরা, তবু প্রতিপক্ষ ম্যানইউ বলেই ভাবনা অ্যানফিল্ডবাসীর। বছর দুই আগে, শিরোপা উৎসবের অপেক্ষায় থাকা সিটিজেনদের উৎসব পিছিয়ে দিয়েছিল ম্যানইউ; চলতি মৌসুমেও ইস্ট এন্ড থেকে তারা ফিরেছে জয় নিয়ে। নিজেদের মাঠে অলরেডদের ১-১ গোলে রুখে দেওয়া ম্যানইউ কি পারবে অ্যানফিল্ডের দুর্গম দুর্গ জয় করতে? কেকে সেতিয়েনের অধীনে প্রথম ম্যাচ খেলতে আজ নামছে বার্সেলোনা, ন্যু ক্যাম্পে প্রতিপক্ষ গ্রানাদা।

লিভারপুলের মাঝমাঠের ফুটবলার অ্যালেক্স-অক্সালেড চেম্বারলেইন ভালো করেই জানেন, ম্যানইউর বিপক্ষে ম্যাচে লাগাম আলগা করার সুযোগ নেই, ‘এটা খুব বড় একটা ম্যাচ, অনেক ইতিহাস জড়িয়ে। এই ধরনের ম্যাচের দিকেই সবাই তাকিয়ে থাকে। ফ্যানদের কাছেও ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের কাছে তো বটেই। আমাদের দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে, যাতে আমরা সঠিক ফলটা অর্জন করতে পারি।’ লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ বলছেন, এখানে ভুলের কোনো সুযোগ নেই, ‘আমার মনে হয় ম্যানইউর সঙ্গে আমাদের আগের ম্যাচটা একটা উদাহরণ, সেদিন আমরা সেরা খেলাটা খেলতে পারিনি। সেটা যতটা না প্রতিপক্ষের মানের জন্য, তার চেয়ে বেশি নিজেদের সেরা জায়গাটায় ছিলাম না বলে। কোনো একটা ভুল সময়ে বলের দখল ছুটে গেলেই ট্রেন ছুটতে শুরু করবে, তখন আর ফেরার পথ থাকবে না।’

বার্সেলোনার কোচ হিসেবে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার আগের সংবাদ সম্মেলনেও নিজেকে চিমটি কেটে পরখ করছিলেন কেকে সেতিয়েন। কাল গ্রানাদার বিপক্ষে ম্যাচের আগে জানালেন, ‘প্রতিদিন সকালেই ঘুম ভাঙার পর মনে হয়, আমি এই খেলোয়াড়দের কোচ! এ তো বিশ্বাসই হচ্ছে না!’ প্রথম দিনেই দুইবার অনুশীলন করিয়েছিলেন সেতিয়েন, তাঁর কৌশলের সঙ্গে খেলোয়াড়দের পরিচিত করে ফেলতে পেরেছেন বলেই মনে করেন ৬১ বছর বয়সী এই কোচ, ‘সপ্তাহটা ভালোই কেটেছে। যা আশা করেছিলাম, এর চেয়ে অনেক ভালো। খেলোয়াড়রা কোন ব্যাপার কিভাবে নেয় সেটা আন্দাজ করা কঠিন, আমি অবাক হয়েছি যে তারা আমার পরিবর্তনগুলো সহজভাবে গ্রহণ করেছে।’ বার্সেলোনার কোচ হিসেবে কাজ করা কতটা চাপের তার উত্তরে সেতিয়েনের মন্তব্য, ‘ক্লাবের চাহিদা কিন্তু বেশি না। আমিই বেশি চাই। আমি জীবনে কখনো মানের সঙ্গে আপস করিনি। ক্লাবের কাউকে আমাকে কিছু বলতে হবে না, কারণ আমি নিজেই প্রতিদিন আগের চেয়ে আরো বেশি অনুপ্রাণিত হয়ে মাঠে আসব।’ বিবিসি, ইএসপিএন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা