kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৩ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

শ্রীলঙ্কার হারে আশায় স্বাগতিকরা

১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শ্রীলঙ্কার হারে আশায় স্বাগতিকরা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ম্যাচে বাংলাদেশ সশরীরে না থেকেও ছিল ভালোভাবে। আর ইনজুরি টাইমেই ম্যাচটা ঘুরে গেল বাংলাদেশের দিকে! ৫ মিনিটের ইনজুরি টাইমের দুই গোলে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফিলিস্তিন পৌঁছে গেছে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের সেমিফাইনালে। সঙ্গে লাল-সবুজের আশাও জাগিয়ে রাখে ভালোভাবে।

প্রথম ম্যাচে ফিলিস্তিনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বাংলাদেশ তাকিয়ে ছিল এই ম্যাচের দিকে। ফিলিস্তিন-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের ফল একটু এদিক-ওদিক হলেই লাল-সবুজের সেমিফাইনালের রাস্তা কঠিন হয়ে যায়। শ্রীলঙ্কা জিতলেও বটেই, এমনকি ড্র হলেও স্বাগতিকদের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে যায়। তখন তিন দলের গ্রুপের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের জিততে হতো বড় ব্যবধানে। সেই দুর্ভোগের দিকেই ম্যাচটি নিয়ে যাচ্ছিল লঙ্কানরা। ৯০ মিনিট তারা ঠিকঠাক ঠেকিয়ে দিয়েছিল ফিলিস্তিনকে। কিন্তু ইনজুরি টাইমের ৫ মিনিটের নাটকে সব ভেস্তে যায়। লঙ্কান গোলরক্ষকের এতক্ষনের দুর্দান্ত প্রতিরোধ শেষ হয় হতাশায়।

শুরু থেকেই ফিলিস্তিনের চাপের মুখে থাকে শ্রীলঙ্কা। এত চাপের মধ্যেও চিড় ধরেনি তাদের রক্ষণে। একের পর এক ফিলিস্তিনি আক্রমণ ঠেকিয়ে গেছে তারা। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত সব সেভ করেছেন লঙ্কান গোলরক্ষক হেরাথ অনুরাসুরি। ৫৪ মিনিটে আলমাসালমার শট গোললাইন থেকে ফেরানোর পর ফিলিস্তিনের তিনটি চমৎকার সুযোগ শেষ হয় ওই গোলরক্ষকে গিয়ে। ৫৬ মিনিটে তিনি সেভ করেন মোহামেদ দারবিশের ফ্রি-কিক। মিনিটখানেক বাদেই লঙ্কান রক্ষণে ত্রাস ছড়িয়েও আবু সালেম পরাস্ত করতে পারেননি হেরাথকে। ৭১ মিনিটে দাউদ ইরাকি বক্সে ঢুকে পোস্টে নিয়েও পারেননি ওই গোলরক্ষকের দেয়াল টপকাতে। লঙ্কান প্রতিরোধের কাহিনি ওই ৯০ মিনিট পর্যন্ত, এরপর ৫ মিনিটের ট্র্যাজেডিতেই সব লড়াই জলো হয়ে যায়। ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে বাঁদিক থেকে সামেহ মারাবার ক্রসে ডাইভিং হেডে লক্ষ্যভেদ করেন মাহমুদ আবুওয়ার্দা। এই গোলের সঙ্গেই বাংলাদেশের আশা জাগে খানিকটা। কিন্তু বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার শেষ ম্যাচ ড্র হলেই যে গোল ব্যবধানে বাদ পড়ে স্বাগতিকরা। মিনিট দুয়েক বাদে সেই ব্যবধান ঘুচিয়ে দেয় ফিলিস্তিন! ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে তিন ফিলিস্তিনি বুলেটের গতিতে ওঠেন কাউন্টারে। দাউদ ইরাকির থ্রু বলে খালেদ সালেম লক্ষ্যভেদ করে ফিলিস্তিনের ২-০ গোলে জয় নিশ্চিত করেন।

তারা বাংলাদেশকেও হারিয়েছিল ২-০ গোলে। সুতরাং পয়েন্টহীন বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার গোল ব্যবধানও সমান। তাই আগামীকালের শেষ গ্রুপ ম্যাচে যারা জিতবে তারাই সেমিফাইনালে উঠবে ‘এ’ গ্রুপের রানার্স-আপ হয়ে। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ড্র থাকলে সরাসরি টাইব্রেকারে ম্যাচের নিষ্পত্তি হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা