kalerkantho

শনিবার । ৯ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

পাকিস্তানেই যাবেন না মুশফিক

১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাকিস্তানেই যাবেন না মুশফিক

ক্রীড়া প্রতিবেদক : দিন দুয়েক আগে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীনকে ফোন করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। অনুরোধ করেছিলেন, তাঁকে পাকিস্তান সফরের টি-টোয়েন্টি দলে যাতে না রাখা হয়। যে কারণে পাকিস্তান যাওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুটা নমনীয় হয়েছেন বলে মনে করেছিলেন অনেকেই। ধারণা করা হচ্ছিল টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে না গেলেও হয়তো টেস্টে যাবেন। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) দেওয়া মুশফিকের চিঠিতে ভেঙে গেছে সব ধারণাই। বাংলাদেশের তিন দফার পাকিস্তান সফরের কোনোটিতেই তিনি যেতে চান না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

ফোনালাপে মুশফিকের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে থাকতে না চাওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ডকে চিঠি দিয়ে জানানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচক। সেটি দিতেও বিলম্ব করেননি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। অনেক আগে থেকেই যিনি পাকিস্তানে যাওয়ার বিষয়ে অনাগ্রহী ছিলেন। এবার আনুষ্ঠানিকভাবেই জানালেন যে তিনি একবারও পাকিস্তান যেতে আগ্রহী নন। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি প্রধান আকরাম খান সেটিই নিশ্চিত করে বললেন, ‘হ্যাঁ, মুশফিক চিঠি দিয়েছে। যাতে সে পাকিস্তানেই যেতে চায় না বলে জানিয়েছে। টি-টোয়েন্টি সিরিজ তো বটেই, এরপর আরো দুই দফার সফরেও যাবে না বলেছে।’

অর্থাৎ তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও দুই টেস্টের সিরিজের পাশাপাশি একমাত্র ওয়ানডেতেও পাওয়া যাচ্ছে না মুশফিককে। অবশ্য এর আগে জানা গিয়েছিল, এক নিকটাত্মীয়ের বিয়ের তারিখ অনেক আগে থেকেই ঠিক হয়ে থাকায় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাবেন না তিনি। পরের দুই দফায় তাই এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানকে পাওয়া যাবে বলেই আশা করা হচ্ছিল। এখন অবশ্য মুশফিকের ব্যাপারটি আর ঝুলে রইল না। নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি সরে দাঁড়ানোয় এখন টেস্ট আর ওয়ানডের জন্যও তাঁর বিকল্প খুঁজতে হবে নির্বাচকদের।

২৪, ২৫ ও ২৭ জানুয়ারির টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো খেলতে ২১ জানুয়ারি রাতে লাহোরের পথে রওনা হওয়ার কথা আছে বাংলাদেশ দলের। এরপর আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচটি হবে (৭-১১ ফেব্রুয়ারি) রাওয়ালপিন্ডিতে।

বাংলাদেশের তৃতীয় দফার পাকিস্তান সফর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে। করাচিতে ৩ এপ্রিল একমাত্র ওয়ানডেটি খেলার পর ৫-৯ এপ্রিল একই ভেন্যুতে হবে টেস্ট সিরিজের শেষ ম্যাচটি। শুধু মুশফিক নন, কোনোবারই পাকিস্তান যেতে না চাওয়াদের দলে আছেন বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকান ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুকও। তাঁর জায়গায় যাচ্ছেন স্থানীয় সোহেল ইসলাম। ফাস্ট বোলিং কোচ শার্ল ল্যাঙ্গেভেল্ট তো চাকরি ছেড়ে আগেই নিজ দেশের জাতীয় দলে যোগ দিয়েছেন। তাঁর জায়গায় পাকিস্তানে যাচ্ছেন হাই পারফরম্যান্সের (এইচপি) ফাস্ট বোলিং কোচ শ্রীলঙ্কার চম্পাকা রামানায়েকে। ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়েন অবশ্য যেতে পারছেন না তাঁর হাতের আঙুল ভেঙে যাওয়ায়। এ কারণেই স্থানীয় তুষার কান্তি হাওলাদার সঙ্গী হচ্ছেন দলের। তবে হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর মতো পাকিস্তানে যেতে রাজি আছেন ফিজিও জুলিয়ান ক্যালেফাতো।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা