kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

অ্যাথলেটদের কিছুই দিতে পারিনি আমরা

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অ্যাথলেটদের কিছুই দিতে পারিনি আমরা

গেমসের বড় আকর্ষণ থাকে অ্যাথলেটিকস। সেখানে এসএ গেমসে চরম ব্যর্থ বাংলাদেশের অ্যাথলেটরা, অর্জন মাত্র একটি রুপা ও একটি ব্রোঞ্জ। এরপর ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মন্টু স্বীকার করেছেন নিজেদের অক্ষমতার কথা।

প্রশ্ন : এসএ গেমসের এই রেজাল্টে কি আপনি সন্তুষ্ট?

আব্দুর রকিব : এটা কি সন্তুষ্ট হওয়ার মতো ফল? তবে অ্যাথলেটরা তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছে। ভালো করার মতো কিছুই তাদের দিতে পারিনি। না লম্বা ট্রেনিং, না ভালো কোচ, এমনকি বিকেএসপিতে খাওয়া-দাওয়াও তাদের ঠিক হয়নি। তাদের প্রত্যাশামতো সুযোগ-সুবিধা আমি দিতে পারিনি।

প্রশ্ন : সুযোগ-সুবিধাগুলো দিতে পারেননি কেন?

আব্দুর রকিব : আর্থিক দৈন্য। লম্বা ট্রেনিং করানোর সংগতি আমাদের নেই। অর্থ সংকটের কারণে তিন মাসের জন্য বিদেশি কোচ চেয়েছিলাম। কিন্তু অত অল্প সময়ের জন্য কেউ আসতে চায়নি। দুই-আড়াই মাসের ট্রেনিং দিয়ে অ্যাথলেটিকসের কিছু হবে না। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বছরে দেয় মাত্র ১১ লাখ টাকা। তা ছাড়া আমাদের একটা মাঠ নেই, জিম নেই।  

প্রশ্ন : পদে যাঁরা থাকেন তাঁদের স্পন্সর সংগ্রহ করাও বড় এক কাজ...

আব্দুর রকিব : অনেকের কাছে ভালো পরিকল্পনা নিয়ে গিয়েছিলাম, কেউ সাড়া দেয় না। এখনো চেষ্টা করছি। যাই হোক, আগামী ২০ দিনের মধ্যেই আমরা অন্তত পাঁচজন অ্যাথলেটকে থাইল্যান্ডে এশিয়ান অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের ট্রেনিং সেন্টারে পাঠাব। মাহফুজুর রহমান, জহির রায়হান থাকবে পছন্দের তালিকায়, বাকি তিনজনকে বাছাই করা হবে। ওখানে পাঁচ মাস ট্রেনিংয়ের সুযোগ পাবে তারা।

প্রশ্ন : স্পন্সর সাড়া না দিলেও চলবে কী করে?

আব্দুর রকিব : কিছু একটা করতেই হবে। সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীকে অনুরোধ করেছি, তারা যেন আন্তর্জাতিক সাফল্যের জন্য তৈরি করে তাদের অ্যাথলেটদের। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা