kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

ইমরুলের ৩৩ বলে ৪৪*

মাশরাফি-মাহমুদ জিতলেন দুজনেই

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মাশরাফি-মাহমুদ জিতলেন দুজনেই

ছবি : মীর ফরিদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : নিজেকে দুর্ভাগা ভাবতেই পারেন নাঈম শেখ! নাগপুরের পর ঢাকা, দুটি বড় ইনিংস খেললেন যে দুটি ম্যাচে; দুটিতেই দল হারল। নাঈমের ৫৪ বলে ৭৮ রানের ইনিংসের পরও রংপুর রেঞ্জার্স ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৭ রানের বেশি করতে পারেনি। জবাবে রানতাড়ায় চ্যাডউইক ওয়ালটনের হাফসেঞ্চুরির সঙ্গে ইমরুল কায়েসের অপরাজিত ৪৪ রানে ভর করে জয়ের মুখ দেখেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। চোট কাটিয়ে দলে ফিরেই জয়ের মুখ দেখেছেন মাহমুদউল্লাহ। অন্য ম্যাচে এবারের

আসরের সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস গড়েছে ঢাকা প্লাটুন। এনামুল হকের হাফসেঞ্চুরির সঙ্গে শেষ দিকে থিসারা পেরেরা ও ওয়াহাব রিয়াজের ক্যামিওতে ঢাকার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৮২ রান। রানতাড়ায় সিলেট থান্ডারস মোটেও গর্জায়নি, ৭ উইকেটে ১৫৮ রানে থেমে হেরেছে ২৪ রানে।

ঢাকা পর্বের প্রথম ভাগ শেষে ২ ম্যাচে দুই জয়ে শীর্ষে রাজশাহী রয়্যালস। ৩ ম্যাচে ২ জয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের, ঢাকাও জিতেছে ২ ম্যাচ। এখনো জয়হীন সিলেট ও রংপুর।

রংপুরের হয়ে একাই লড়েছেন নাঈম। অন্য প্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলেও নাঈমের ব্যাট কথা বলেছে টি-টোয়েন্টির মেজাজেই। ৬ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৫৪ বলে ৭৮ রান করে আউট হয়েছেন রুবেল হোসেনের বলে। ইনিংসের সূচনায় নেমে খেলেছেন ১৮তম ওভারের পঞ্চম বল পর্যন্ত। কিন্তু তাঁকে ঘিরে জুটি গড়তে পারেননি কেউই। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস ২১ রানের, আসে মোহাম্মদ নবির ব্যাট থেকে। আভিষ্কা ফার্নান্দো আর ওয়ালটনের ব্যাটে দারুণ শুরু পায় চট্টগ্রাম। উদ্বোধনী জুটি ৬৮ রানের। ৩৭ রানে আউট হন ফার্নান্দো। এরপর ইমরুলের ৩৩ বলে অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংসের সঙ্গে মাহমুদের ১৫ আর নাসিরের ৩ রান জেতায় চট্টগ্রামকে। দল হারলেও ৭৮ রানের ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন নাঈম, এটাই তাঁর সান্ত্বনা। এনামুল হক আর তামিম ইকবাল দারুণ শুরু এনে দেন ঢাকা প্লাটুনকে। দুজনের উদ্বোধনী জুটি ৮৫ রানের, ৯.৪ ওভারে। ৫ বাউন্ডারিতে ৩১ রান করে মোসাদ্দেকের বলে স্টাম্পড হন তামিম। এনামুল করেন ৪২ বলে ৬২ রান। ঢাকার ইনিংসটি বড় করেছে থিসারা পেরেরা আর ওয়াহাব রিয়াজের ব্যাট। ২ ছক্কা ও ১ চারে ১১ বলে অপরাজিত ২২ রান করেন থিসারা, ২ ছক্কায় ৭ বলে ১৭ রান ওয়াহাব রিয়াজের। তাতেই হয়ে যায় এবারের আসরের সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস। রানতাড়ায় ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই কাভারে মাশরাফির বলে ক্যাচ দিয়েছিলেন আন্দ্রে ফ্লেচার, হাতে জমাতে পারেননি শাদাব খান। তবে অল্পতেই ফিরে যান এই ক্যারিবীয় ওপেনার। ফ্লেচার ১০, আর জনসন চার্লস ১৯; দুই ক্যারিবীয় অল্পতে আউট হতেই আসলে মেরুদণ্ড ভেঙে যায় সিলেটের। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৮ রানে থেমে যায় থান্ডার্সের ইনিংস। মোসাদ্দেক হোসেন ৪৪ বলে ৬০ রান করে ব্যবধান কমিয়েছেন শুধু। ঢাকা পর্বের প্রথম ভাগ শেষে ২ ম্যাচে দুই জয়ে শীর্ষে রাজশাহী রয়্যালস। ৩ ম্যাচে ২ জয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের, ঢাকাও জিতেছে ২ ম্যাচ। এখনো জয়হীন সিলেট ও রংপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা