kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

তাঁদের বিবর্ণ প্রত্যাবর্তনে ঢাকার হার

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তাঁদের বিবর্ণ প্রত্যাবর্তনে ঢাকার হার

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বিশ্বকাপের পর কাল প্রথম কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেললেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। দীর্ঘ বিরতির পর তামিম ইকবালও মাঠে ফিরেছেন গতকাল। কিন্তু এঁদের নিয়েও রাজশাহী রয়্যালসের কাছে ৯ উইকেটের বড় হারেই শুরু হলো ঢাকার এবারের বিপিএল।

টসে হেরে আগে ব্যাট করা ঢাকা ২০ ওভারে ৯ উইকেটে করতে পারে মাত্র ১৩৪ রান। জুলাইর শেষ দিনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডের পর বিশ্রামে ছিলেন তামিম, খেলেছেন কেবল একটা জাতীয় লিগের ম্যাচ। কাল ফেরার ম্যাচে ৫ রান করে আউট হয়ে গেছেন তামিম। এনামুল হক করেন ৩৩ বলে ৩৮ রান। ঢাকার ভরসা দুই বিদেশি অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরা ও শহীদ আফ্রিদি, দুজনেই ডুবিয়েছেন। থিসারা আউট ১ রানে, আফ্রিদি শূন্য। শেষ দিকে ওয়াহাব রিয়াজের ১৯ আর দুই ছক্কায় মাশরাফির অপরাজিত ১৮ রানে ভদ্রস্থ চেহারা পায় ঢাকার স্কোরকার্ড।

এই ছোট লক্ষ্য আরো ছোট হয়ে যায় হযরতউল্লাহ জাজাইয়ের ব্যাটিং তাণ্ডবে। মাত্র ৪৭ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫৬ রান তুলে অপরাজিত থাকেন এই আফগান উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। তাঁর সঙ্গী লিটন কুমার দাসও শুরুটা করেছিলেন ভালোই, মাত্র ২৭ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৩৯ রান করে আউট হয়ে গিয়ে হাফসেঞ্চুরির সুযোগটা হারান। ৬২ রানের উদ্বোধনী জুটির পর জাজাইয়ের সঙ্গে যোগ দেন শোয়েব মালিক। অভিজ্ঞ এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার অকারণ ঝুঁকি নেননি, ৩৬ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের ইনিংস খেলে জাজাইকে সঙ্গ দিয়ে দলকে পৌঁছে দেন জয়ের নিরাপদ বন্দরে। ১৮.২ ওভারে ৯ উইকেট হাতে রেখেই জিতে যায় রাজশাহী রয়্যালস। ৩ ওভার বল করেছেন মাশরাফি, কোনো উইকেট পাননি। জুনে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে জনি বেয়ারস্টোর উইকেট নিয়েছিলেন মাশরাফি, এর পর থেকে তিনি এখন পর্যন্ত কোনো উইকেটই পাননি। দুটি রান আউট আর ১ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা রাজশাহীর রবি বোপারা।

বিশ্বকাপের পর গণমাধ্যমের সঙ্গে একটা দূরত্ব বজায় রেখেই চলছিলেন মাশরাফি। কাল ঢাকার হারের পর সংবাদ সম্মেলনে তাঁর চলে আসাটা বেশ বিস্ময়ের। তবে এই দূরত্ব ইচ্ছাকৃত নয় বলেই জানালেন প্লাটুন অধিনায়ক, ‘সাংবাদিককের সঙ্গে আমার সম্পর্ক সব সময়ই ভালো। আপনারা আপনাদের কাজটা করছেন, আমি আমার কাজটা করছি। বিশ্বকাপের পর আমি ক্রিকেটের সঙ্গে ছিলাম না, তাই কথা বলার সুযোগও হয়নি।’ সামনে আসলেন ঠিকই, কিন্তু জয়ের হাসি ঠোঁটে নিয়ে নয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা