kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

এএফসি কাপে ‘ই’ গ্রুপে বসুন্ধরা কিংস

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



এএফসি কাপে ‘ই’ গ্রুপে বসুন্ধরা কিংস

ক্রীড়া প্রতিবেদক : দ্বিতীয় বছরেই খুলে গেল তাদের এএফসি কাপের দুয়ার। ঘরোয়া ফুটবল রাঙানো বসুন্ধরা কিংসের নতুন লক্ষ্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলো ছড়িয়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম ফুটবল পরাশক্তি হয়ে ওঠা। এএফসি কাপের ড্রয়ের পরও এটাকে খুব কঠিন মনে করছেন না বসুন্ধরা কিংস প্রেসিডেন্ট, ‘গ্রুপে খুব শক্তিশালী কোনো দল নেই। এখনো দুটো দলের নাম বাকি আছে। ভারতীয় ক্লাবগুলোই আসলে বড় প্রতিপক্ষ। গতবার তাদের সঙ্গে আবাহনী খেলেছে, জিতেছেও। আমাদের পর্যবেক্ষণেও তারা ও রকম শক্তিশালী নয় যে তাদের সঙ্গে লড়াইয়ে পারা যাবে না। আমাদের দল ভালো, এখন এএফসি কাপের প্রস্তুতি নেওয়ার পালা। আমরা আশাবাদী।’

মালয়েশিয়ায় গতকাল হয়েছে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও এএফসি কাপের ড্র। ৯টি গ্রুপের এএফসি কাপের মূল পর্ব ৩৬ দলের। এখনো কিছু দল অনির্ধারিত, তবে ‘ই’ গ্রুপে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস ও মালদ্বীপের চ্যাম্পিয়ন টিসি স্পোর্টসের জায়গা চূড়ান্ত। বাকি আছে দুটি দল, একটি হবে ভারতের চেন্নাই সিটি এফসি অথবা এফসি গোয়ার মধ্যে। আই লিগ চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সিটি প্রথমে পরীক্ষা দেবে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রিলিমিনারি রাউন্ড ও প্লে অফ রাউন্ডে। উত্তীর্ণ হলে তারা পৌঁছে যাবে চ্যাম্পিয়নস লিগের মূল পর্বে। নইলে এএফসি কাপে। ‘ই’ গ্রুপের চতুর্থ দল হওয়ার জন্য লড়বে চার দেশের চার ক্লাব দল। ভারতের বেঙ্গালুরু এফসি, ভুটানের পারো এএফসি, লঙ্কান ডিফেন্ডার্স এফসি, মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস ও বাংলাদেশের আবাহনী লিমিটেড। গত লিগে রানার্স-আপ হয়ে সরাসরি খেলার সুযোগ হারানো আকাশি-নীলরা এবার প্রিলিমিনারি রাউন্ডে মুখোমুখি হবে মাজিয়ার সঙ্গে। সেখানে জিতলে আবার প্লে অফ খেলতে হবে ‘ই’ গ্রুপে নাম লেখানোর জন্য। গত এএফসি কাপের নক আউট রাউন্ডে খেলা আবাহনীকে এবার কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে মূল পর্বে পৌঁছতে!

মালয়েশিয়ায় গতকাল হয়েছে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও এএফসি কাপের ড্র। ৯টি গ্রুপের এএফসি কাপের মূল পর্ব ৩৬ দলের। এখনো কিছু দল অনির্ধারিত, তবে ‘ই’ গ্রুপে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস ও মালদ্বীপের চ্যাম্পিয়ন টিসি স্পোর্টসের জায়গা চূড়ান্ত।

তবে বসুন্ধরা কিংস প্রেসিডেন্ট ইমরুল হাসানের পছন্দ দেশের ঐতিহ্যবাহী দলের সঙ্গ, ‘আমি পছন্দ করি আবাহনীকে। শুধু চেনা প্রতিপক্ষ বলে নয়, গ্রুপে দেশের দুটো ক্লাব থাকলে সুযোগ বাড়ে। দেশের দুটো দলের মধ্যে একটি ব্যর্থ হলে আরেকটির সুযোগ থাকবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করার। তাতে এএফসির টুর্নামেন্টে আমাদের ফুটবল টিকে থাকে, আমাদের ফুটবলারদের বড় টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ থাকে, সুবাদে বাড়ে তাদের এক্সপোজারও।’ বড় ক্যানভাসে দেখলে, দেশের দুটো দলের খেলা ইতিবাচক। গতবারও যেমন আবাহনীর গ্রুপে ছিল ভারতের দুটো দল। তেমন সুযোগ আছে এবার বাংলাদেশেরও, তবে গ্রুপের চার দল চূড়ান্ত হতে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এরপর এপ্রিলে শুরু হবে এএফসি কাপের মূল পর্ব। আর এই লক্ষ্যে বসুন্ধরা কিংস সাজিয়েছে নতুন দল। কিংস প্রেসিডেন্টের দাবি, ‘এবারের দলটা তৈরি করেছি আমরা এএফসি কাপকে মাথায় রেখে। চেষ্টা করেছি সব বিভাগ শক্তিশালী করে দলে ভারসাম্য বজায় রাখতে। আমাদের বিশ্বাস, আগেরবারের চেয়ে এবার বিদেশি খেলোয়াড়ের মানও ভালো হয়েছে। আমরা চেষ্টা করব ঘরোয়া ফুটবলের সাফল্যটা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধরে রাখতে।’ আগের দুই বিদেশি কোস্টারিকান উইঙ্গার দানিয়েল কলিনদ্রেস ও কিরগিজ মিডফিল্ডার বখতিয়ারকে রেখে বাকি তিন বিদেশি নিয়েছে নতুন করে। যোগ দিয়েছেন তাজিক ডিফেন্ডার আখতাম নাজারভ, আর্জেন্টাইন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নিকোলাস দেলমন্তে ও লেবানিজ স্ট্রাইকার জালাল কোদো। আগের দুর্বল রক্ষণভাগ খোলনলচে বদলে গেছে। মাঠের সব বিভাগে দারুণ ভারসাম্য। সুতরাং গ্রুপ পেরোনোর স্বপ্ন দেখতেই পারে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা