kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সৌম্য-শান্তদের প্রত্যাশিত সাফল্য

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সৌম্য-শান্তদের প্রত্যাশিত সাফল্য

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ভারত ও পাকিস্তান দলই পাঠায়নি। শ্রীলঙ্কা দল পাঠালেও তাতে চেনা কোনো ক্রিকেটারের উপস্থিতি নেই। কিন্তু বাংলাদেশ দল তারকায় ঠাসা! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে লম্বা সময়ের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ সৌম্য সরকার, ভারত সফরের টি-টোয়েন্টি দলে থাকা আফিফ হোসেন, নাঈম শেখদের নিয়েই দল সাজানো হয়েছিল এসএ গেমসের ক্রিকেটের জন্য। উদ্দেশ্য একটি সোনার মেডেল। ভুটান, মালদ্বীপ আর শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে খেলতে জাতীয় দলের নিয়মিত মুখদের নিয়ে দল গড়াটা কতটা শোভনীয়, সেই প্রশ্নের উত্তর তোলা থাক অন্য আলোচনার জন্য। উদ্দেশ্য তো সফল, ছেলেদের ক্রিকেটে এসেছে কাঙ্ক্ষিত সোনা। ২০১০ সালে ঢাকায় আয়োজিত এসএ গেমসে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকেই ৬ রানে হারিয়ে জিতেছিল সোনা। গুয়াহাটিতে দক্ষিণ এশিয়ার এই ক্রীড়া আসরের পরবর্তী আসরে ছিল না ক্রিকেট, ফিরেছে কাঠমাণ্ডুতে। তাই বলা যায় সোনাটা অক্ষুণ্ন রাখল ছেলেরা।

ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়া শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-২৩ দল করেছিল ১২২ রান। সর্বোচ্চ ২২ রান করেন নিশাঙ্কা, ১৬ রান আসে মাদুশকার ব্যাট থেকে। বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ ১৮ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। জবাবে দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসান দলকে এনে দেন ভালো শুরু। তাদের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৪৪ রান। ২৮ বলে ২৭ রান করে আউট হন সৌম্য। দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ৩৯ রান যোগ করে আউট হন সাইফ, এ সময় তাঁর রান ছিল ৩৩। ১৯ রান করে ইয়াসির আলী আউট হলেও জয় তখন মাত্র ১৫ রান দূরে। আফিফকে নিয়ে অধিনায়ক নাজমুল দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে। তখনো হাতে ৭ উইকেট ও ১১ বল। একই ওভারে জোড়া শিকারসহ ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হাসান মাহমুদ। এই নিয়ে দক্ষিণ এশীয় গেমসের ক্রিকেটে দুইবার সোনা জিতল বাংলাদেশের পুরুষ ক্রিকেট দল। কাঠমাণ্ডু গেমসে ক্রিকেটের পুরুষ ও মহিলা, দুই বিভাগেই সোনা জিতেছে বাংলাদেশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা