kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

এসএ গেমসে এসে বাজিমাত করে দিলাম

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এসএ গেমসে এসে বাজিমাত করে দিলাম

তাঁকে নিয়েই একটু শঙ্কা ছিল। সকালে মেয়েদের কম্পাউন্ড এককের ফাইনালে লঙ্কান তীরন্দাজকে হারিয়ে সব শঙ্কা উড়িয়ে সুমা বিশ্বাস শুরু করেন সোনার মিছিল। যোগ হয় আরো তিনটি স্বর্ণপদক। ‘অপ্রত্যাশিত’ অর্জনের পর বাংলাদেশ আনসারের এই তীরন্দাজ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন নিজের গল্প

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : এই সাফল্য কতটা প্রত্যাশিত ছিল আপনার কাছে?

সুমা বিশ্বাস : একদম অপ্রত্যাশিত। পরীক্ষা আর প্র্যাকটিস মিলিয়ে আমি মোটেও ভালোভাবে তৈরি হতে পারিনি। এমনও হয়েছে পরীক্ষার জন্য টানা পাঁচ দিন অনুপস্থিত ছিলাম ট্রেনিংয়ে, যেখানে এক দিন ট্রেনিংয়ের বাইরে থাকলে পারফরম্যান্সে অনেক হেরফের হয়। তা ছাড়া আমার কোচ ও দলের অন্যদেরও আমার ওপর ভরসা ছিল না। আমারও সেরকম আত্মবিশ্বাস ছিল না।

প্রশ্ন : ১০ ইভেন্টে বাংলাদেশ ফাইনালে ওঠে, তার মধ্যে আপনাকে নিয়েই বোধহয় সবার একটু শঙ্কা ছিল?

সুমা : সেটা আমি নিজেও বুঝতে পারছিলাম। গতকাল (পরশু) আমাদের সহকারী কোচ জিয়া স্যার সোনার সম্ভাবনার কথা বলছিলেন সাংবাদিকদের। সেখানে অন্যদের কথা বললেও তিনি আমার নাম নেননি আর পাশে দাঁড়িয়ে সেটা শুনেছি। এটাও আমার মাথায় ছিল।

প্রশ্ন : সেটা জেদ হিসেবে ছিল। কিন্তু এর আগে দেশে-বিদেশে কোথাও কি আপনি সোনা জিতেছেন?

সুমা : না, দেশে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপেও আমি সোনা জিততে পারিনি। কিন্তু এসএ গেমসে এসে বাজিমাত করে দিলাম।

প্রশ্ন : আর্চারিতে আসা কিভাবে?

সুমা : খেলাধুলার পেছনে আমার বড় ভাই আনোয়ার হোসেনের অনেক অবদান। আমি প্রথমে খেলতাম খো খো। কয়েক বছর খেলার পর ক্রিকেট খেলি, এক বছর সেখানে কাটিয়ে ২০০৯ সাল থেকে আর্চারিতে। আনসারের বাবুল স্যারের কাছেই আর্চারি শেখা। এতটুকু আসার পেছনে বাংলাদেশ আনসারের অবদান অনেক। তারাই সব সরঞ্জাম সরবরাহ করত। এখন আমি আনসারে চাকরি করি। জাতীয় দলের ক্যাম্পে ঢুকি ২০১৮ সালে, এর পর থেকে ফেডারেশন নানাভাবে সহযোগিতা করছে।

প্রশ্ন : কোনটা কঠিন, ক্রিকেট না আর্চারি ?

সুমা : আর্চারিতে দশ মারা বড় কঠিন, সেই তুলনায় ক্রিকেট সহজ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা