kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

আমি অবশ্যই সিটি গ্রুপকে ধন্যবাদ জানাই

৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমি অবশ্যই সিটি গ্রুপকে ধন্যবাদ জানাই

দক্ষিণ এশীয় গেমসে আর্চারিতে ছয়টি ইভেন্টের সব কটিতেই সোনা জিতেছে বাংলাদেশ। সোনালি দিনে গণমাধ্যমের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিবউদ্দিন আহমেদ চপল

প্রশ্ন : আপনি তো আর্চারিকে ধীরে ধীরে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন। এই দীর্ঘ যাত্রাপথের অভিজ্ঞতাটা একটু বলেন?

কাজী রাজিবউদ্দিন আহমেদ চপল : আমি এককভাবে কোনো কাজ করি না। চপলই যে একাই সব কৃতিত্ব নিয়ে যাবে, এ রকম মানসিকতার লোক আমি না। মাঠে ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট বসে আছেন। তিনি খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিয়েছেন। যেহেতু আমি এখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছি, এই ইভেন্টের টেকনিক্যাল হেড আমি, এটাও বাংলাদেশের জন্য একটা গর্বের ব্যাপার। সেই হিসেবে আমাকে কিছুটা সংযমী হয়েই চলতে হচ্ছে। আমি চাই আর্চারি যেন বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।

প্রশ্ন : কোন পরিকল্পনাটা কাজ করেছে এই সাফল্যের পেছনে?

চপল : বললাম না, অধ্যবসায়। আর্চারির জন্য এই গুণটা থাকতে হবে। আর্চারিতে ভালো করতে গেলে কমপক্ষে আট ঘণ্টা, ঊর্ধ্বে ১০ ঘণ্টা অনুশীলন করতে হবে। প্রতিদিন করতে হবে। এটা ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। আমরা সেটা করানোর চেষ্টা করছি।

প্রশ্ন : আপনারা কিভাবে এই নিরন্তর অনুশীলনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন?

চপল : সবাইকেই ধন্যবাদ দিতে হয়। সবার কাছ থেকেই সহযোগিতা পেয়েছি। যেমন পেয়েছি সরকার থেকে। আমরা ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, উনি ব্যক্তিগতভাবে খোঁজখবর নেন। ক্রীড়ামন্ত্রীরও একটা ভূমিকা আছে। উনি যখন মন্ত্রী ছিলেন না, তখন থেকেই উনি টঙ্গীর আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামটা আমাদের দিয়ে বলেছেন ‘তোমরা এখানে প্রশিক্ষণ করো।’ ওখান থেকেই আজকে আমরা এখানে।

প্রশ্ন : শ্যুটিং না পারলেও আপনারা কিভাবে পেরেছেন?

চপল : আমি সব সময়ই শ্যুটিংকে ফলো করে এসেছি। আমাদের আর্চারি এত দিন ছিল অর্থের সংকটে। আমরা বিদেশি কোচ আনতে পারতাম না। এখন আমরা স্পন্সর পেয়েছি, আমরা কোচকে রাখতে পারি। এ জন্য আমি অবশ্যই সিটি গ্রুপকে ধন্যবাদ জানাই। এই সাফল্যের খানিকটা হলেও দাবিদার, পুরোটাই আসলে তীর। তাদেরকে দু-একটা সোনা আমাকে উৎসর্গ করতেই হবে!

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা