kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

খেলা হয় না ৯০ মিনিট

৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ওয়ান্দা-মেত্রোপলিতানোয় মুখোমুখি অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ-বার্সেলোনা। এমন বড় মঞ্চে গোল করতে মুখিয়ে ছিলেন জোয়াও ফেলিক্স। ১২৬ মিলিয়ন ইউরোয় নতুন মৌসুমে এই তরুণ এসেছেন অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদে। দলের মূল ভরসা হওয়ার কথা তাঁরই। অথচ বিরতির পর কোচ ডিয়েগো সিমিওনে তুলে নিলেন ২০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে! মানতে না পেরে কোচের নামে দুয়ো দিচ্ছিলেন দর্শকরা।

শুধু ফেলিক্সই নন, নতুন মৌসুমে অনেককেই পুরো ৯০ মিনিট খেলাচ্ছেন না লা লিগার অনেক কোচ। সবচেয়ে বেশিবার বদলি হয়ে মাঠ ছাড়াদের অন্যতম ফেলিক্স। বেনফিকা থেকে অ্যাতলেতিকোয় এসে লা লিগায় ১০ ম্যাচ খেলেছেন এই তরুণ। গোল মাত্র দুটি। তাই ১০ ম্যাচের ৮টিতে কোচ ডিয়েগো সিমিওনে পুরো ৯০ মিনিট খেলাননি তাঁকে। এ জন্যই কি মেলে ধরতে পারছেন না নিজেকে?  বেনফিকার হয়ে গত মৌসুমে ২৬ মিনিটে যেখানে ফেলিক্সের গোল ১৫টি সেখানে লা লিগায় লক্ষ্যভেদ মাত্র দুইবার! রিয়াল মাদ্রিদে শতকোটি ইউরোয় এসে এডেন হ্যাজার্ডও মেলে ধরতে পারেননি। তাই ১০ ম্যাচের আটটিতে তাঁকে বদলি করেছেন জিনেদিন জিদান।

এবারের লা লিগায় সবচেয়ে বেশিবার বদলি হয়ে মাঠ ছাড়তে হওয়া ফুটবলারটির নাম জেসন রেমেসেরিও। কোচ হোসে বোরদালাসের অধীনে এই মৌসুমে খেলেছেন ১১ ম্যাচ। বদলি হয়ে ২৫ বছর বয়সী এই উইঙ্গারকে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ১০ বার। শতকরার হারে সেটা ৯০.৯১। ভ্যালেন্সিয়া থেকে ধারে এবার তিনি খেলছেন গেতাফেতে। কোচ যেভাবে ৯০ মিনিট না খেলিয়ে তুলে নিচ্ছেন, তাতে আগামী মৌসুমে আবারও হয়তো ফিরতে হতে পারে ভ্যালেন্সিয়ায়।

মাঠ ছাড়ার হারের দিক দিয়ে জেসন রেমেসেরিও কাছাকাছি রয়েছেন সেভিয়ার প্লেমেকার অলিভার তোরেস। ৯ ম্যাচে আটবার মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। হার ৮৮.৮৯ শতাংশ। ভিয়ারিয়ালের মোই গোমেস ও উনাই লোপেস ১১ ম্যাচ খেলে বদলি হয়েছেন ৯ বার। মাঠ ছাড়ার হার ৮১.৮২ শতাংশ।

রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের ওপর এত বেশি অনাস্থায় ভোগেননি দল দুটির কোচ। এই মৌসুমে রিয়ালের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করিম বেনজিমার। ১৩ ম্যাচে ছয়বার তাঁকে বদলি করেছেন কোচ জিনেদিন জিদান। বার্সার এরনেস্তো ভালভের্দে সর্বোচ্চ পাঁচবার বদলি করেছেন আর্থার ও ফ্রাঙ্কি ডি ইয়ংকে। বার্সেলোনায় এসে ঠিক মানিয়ে নিতে পারেননি আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান। লিওনেল মেসি-লুই সুয়ারেসদের সঙ্গে গড়ে ওঠেনি ভয়ংকর জুটি। এর পরও সেরা একাদশে সুযোগ পাওয়া ম্যাচগুলোর বেশির ভাগ সময়ই ৯০ মিনিট তাঁকে মাঠে রেখেছিলেন ভালভের্দে। ১২ ম্যাচ একাদশে থেকে শুরুর পর কেবল তিনটিতে বদলি হতে হয়েছে বিশ্বকাপজয়ী এই ফরাসিকে। লিওনেল মেসি অবশ্য একবারই মাঠ ছেড়েছেন এই মৌসুমে। আর ১৪ ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিটই খেলেছেন সাউল নিগুয়েস ও দানি পারেজো। তেমনি ১৩ ম্যাচ শুরুর একাদশে থেকে মাঠ ছাড়েননি মার্তিন ওদেগার্দ। মার্কা

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা