kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সেরা ফাইনালের পরও বাকীর ব্রোঞ্জ

৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেরা ফাইনালের পরও বাকীর ব্রোঞ্জ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের ফাইনালে নিজের সেরা স্কোর করেও বাকীর ভাগ্যে জুটেছে ব্রোঞ্জ! ‘আমার সেরাটা খেলেছি। এটাই আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ভালো ফাইনাল, এর পরও সোনা জিততে পারলাম না। ভাগ্যকে দোষ দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই’—ভাগ্যকে দুষছেন কমনওয়েলথ গেমসের রুপাজয়ী এই শ্যুটার।

গতকাল এই ইভেন্টে আব্দুল্লাহেল বাকী ফাইনালের ২০ শট পর্যন্ত সবার আগে ছিলেন। অর্থাৎ সোনা জেতার জায়গায় ছিলেন। শেষ দুই শটে তাঁর প্রত্যাশিত স্বর্ণপদক হয়ে যায় ব্রোঞ্জ! তাঁর বিশ্লেষণে, ‘শেষ দুই শট যে খারাপ মেরেছি তা নয়। ১০.০ ও ১০.১ মেরেছি, এর মধ্যে একটি ১০.৩ হলেই স্বর্ণপদক হয়ে যায় আমার।’ ফাইনালে যে চাপ থাকে, সেটার সঙ্গে লড়াই করে ১০ এর ওপরে মারলে সব সময় ভালো স্কোর বলে গণ্য হয়। সেদিক থেকে এটা ভালো স্কোর এবং তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা ফাইনাল, ‘ফাইনাল ধরলে এটা আমার ক্যারিয়ারের সেরা রেজাল্ট। গোল্ডকোস্ট কমনওয়েলথ গেমসে আমি ২০৬.৭, ১৪ স্কোর করে রুপা জিতি। তার আগেরটায় ২০৫.৬ স্কোর করেছিলাম। এখানে আমি মেরেছি ২০৮। মাত্র ০.২৩ স্কোরের জন্য আমি স্বর্ণপদক জিতিনি।’ শেষ দুই শটে তাঁকে তিন নম্বরে ঠেলে সোনা ও রুপা জিতে নেন দুই ভারতীয় শ্যুটার।

গত কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণপদক এ রকম তাঁর হাতের মুঠোয় ছিল। শেষ শটটা বাজে মারায় সোনা হয়ে গিয়েছিল রুপা। এর পর থেকে তিনি কাজ করছিলেন ফাইনাল নিয়ে। কাঠমাণ্ডুতে যাওয়ার আগে জার্মানিতে ট্রেনিংয়ে কাটিয়েছেন বেশ কিছুদিন। ফাইনালে কিভাবে আরো ভালো খেলা যায়, সে নিয়েই হয়েছে যত ট্রেনিং। কাঠমাণ্ডুতে ফিরেছেন চাপমুক্ত থাকার টেকনিক নিয়ে। শেষ পর্যন্ত সেসব তেমন কাজেই লাগেনি, ‘আসলে চাপে না থেকে পারা যায় না। চাপ যতটা কমানো যায়, সেই চেষ্টা করি আমরা। দর্শক একটা বড় সমস্যা হয়েছিল এখানে, প্রচুর চিত্কার চেঁচামেচি হয়েছে এখানে। কম্পিটিশনের এত কাছাকাছি দর্শক থাকে না। এটা অজুহাত নয়।’ কমনওয়েলথের মতো এবার সোনা হয়ে গেল ব্রোঞ্জ!

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা