kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে আশায় বাংলাদেশ

৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে আশায় বাংলাদেশ

কাঠমাণ্ডু থেকে প্রতিনিধি : কাঠমাণ্ডুতে কি ’৯৯ ফিরে আসছে? সেবারও ফুটবলে হার দিয়ে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের। শেষ করেছিল তারা চ্যাম্পিয়ন হয়ে। এবার ভুটানের কাছে হেরে যখন চারদিকে ঢিঁ ঢিঁ পড়ে গেছে জেমি ডে’র দলকে ঘিরে। তখনই ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছেন ফুটবলাররা। মালদ্বীপের বিপক্ষে জয় পাওয়ার মতো খেলেও দ্বিতীয় ম্যাচ ড্র, কাল সেই জয়ে অপেক্ষাও ফুরাল মাহবুবুর রহমানদের। আগের দিন নেপালকে রুখে দেওয়া শ্রীলঙ্কাকেই যে এদিন ভূপাতিত করেছে বাংলাদেশ। ১০ মিনিটে মাহবুবুর রহমানের একমাত্র গোল ধরে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লাল-সবুজ।

এই মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ। কাল মালদ্বীপকে ২-১ গোলে হারিয়ে ভুটান শীর্ষে উঠে গেছে ৬ পয়েন্ট নিয়ে। কাঠমাণ্ডুর পরিচিত কন্ডিশন পুরোটাই কাজে লাগাচ্ছে প্রতিবেশী ভুটানিরা। নেপাল ও বাংলাদেশের সমান ৪ পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেপাল। শেষ ম্যাচে নেপালকে হারালে সম্ভাবনা থাকবে ফাইনালে যাওয়ার। এদিন চারটি বদল নিয়ে নামে বাংলাদেশ। নাবিব নেওয়াজ, বিপলু আহমেদ, রহমত মিয়া ও মোহাম্মদ ইব্রাহিমের বদলে নামেন মাহবুবুর রহমান, বিশ্বনাথ ঘোষ, মোহাম্মদ আল আমিন ও ইয়াসিন খান। ১০ মিনিটেই সুফিল এগিয়ে দেন বাংলাদেশকে। জামাল ভুঁইয়ার থ্রু বল পেয়ে বক্সের ভেতর সাদ উদ্দিনের স্কয়ার পাস জালে পাঠাতে কোনো ভুল করেননি সুফিল। ৩৪ মিনিটে সুফিলেরই আরেকটি শট ফিরিয়ে দেন লঙ্কান গোলরক্ষক। দ্বিতীয়ার্ধে আল আমিনের বদলি নামেন রহমত, ওদিকে সুফিলের বদলে নাবিব। তাতে ব্যবধান বাড়ানোরও সুযোগ তৈরি হয়। রহমতের শট বারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দ্বিতীয় গোল থেকে দলকে বাঁচিয়েছেন লঙ্কান গোলরক্ষক। নাবিব নেওয়াজ এদিনও সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। শট নিতে দেরি করে ফেলেছিলেন। ঠিকঠাক তা করতে পারলে সেখানেই একরকম ম্যাচটি শেষ হয়ে যেত। সেটা না হলেও বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত  লিডটা হারায়নি। শেষ দিকে বাংলাদেশ রক্ষণে জোর বাড়িয়ে নেয় লিডটা ধরে রাখার জন্য। রবিউলের বদলে নামেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তাতে রক্ষণ সামলাতে বলতে গেলে আটজন খেলোয়াড়কে নিচে পান জেমি ডে। এর মধ্যেও গোলের সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন ইব্রাহিম। সাদের স্কয়ার পাসে বক্সের ভেতর ভালো জায়গায় বল পেয়েও অবশ্য নিশানা ঠিক রাখতে পারেননি তিনি।

তবে লিড ধরে রাখার কাজে জেমিকে শেষ পর্যন্ত হতাশ করেননি খেলোয়াড়রা। মালদ্বীপের বিপক্ষে আগের ম্যাচেই প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন তিনি খেলোয়াড়দের। কাল প্রথম জয়েও প্রশংসা ঝরেছে তাঁর কণ্ঠে, ‘ওদের পারফরম্যান্সে আমি খুবই খুশি। অসাধারণ খেলেছে আজ। খুব ভালো ফুটবল খেলেছে। আমরা প্রথম গোলের পরও আরো সুযোগ তৈরি করেছিলাম। তাতে ব্যবধানটা আরো বাড়তেও পারত।’ সেই সুযোগ নষ্ট হওয়ায় খেলোয়াড়দের দায় দিতে চাননি তিনি, ‘সবাই জানে গেমসে কী পরিস্থিতিতে খেলতে হচ্ছে আমাদের। টানা দুটি দিন ম্যাচ খেলার পর এক দিন বিশ্রাম নিয়েই আজ এই কঠিন ম্যাচটি খেলেছে তারা। তারা ক্লান্ত ছিল। ভুল হওয়াটাই তাই স্বাভাবিক, আমি তাই এটা মেনে নিচ্ছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা