kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

তানভিরের ৫ উইকেট

ক্রিকেট মাঠে জয়

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রিকেট মাঠে জয়

কাঠমাণ্ডু থেকে প্রতিনিধি : এসএ গেমসে ভূরি ভূরি সোনার লড়াই। এক কারাতেতেই যেমন ১৯ সোনার খেলা হয়েছে। কিন্তু দলীয় খেলার একটা সোনার যে আবেদন তা আসলে অন্য কিছুর সঙ্গে মেলানো যায় না। কাল নেপাল-শ্রীলঙ্কা ফুটবল ম্যাচে দশরথ যেমন অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল, তাতেও আন্দাজ করা যায় সেটি। সেই নেপালিরাও একটু যেন ঈর্ষান্বিত, ‘তোমাদের তো দুটি সোনা ঠিক হয়েই আছে’—এমনটা শুনতে হয়েছে বহুবার। বুঝতে অসুবিধা হয়নি ঈর্ষার উৎস বাংলাদেশের ক্রিকেট। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভিজাত পাড়ার সদস্য। আর গেমসে তো ভারত, পাকিস্তানও নেই। শ্রীলঙ্কা থাকলেও সবাই তাই বাংলাদেশকেই ফেভারিট ভাবছে। পরশু পোখারায় লঙ্কানদের অনায়াসে হারিয়ে মেয়েরা গতকাল নেপালকে হারিয়ে সোনার হাতছানি দেখতে পাচ্ছে। ছেলেদের ক্রিকেটের স্বর্ণাভিযান শুরু হলো কাল মালদ্বীপের বিপক্ষে। বাংলাদেশ পরে ব্যাটিং করলে ম্যাচটা হয়তো দুপুর পর্যন্তই গড়ানোর কথা না। কিন্তু টস জিতে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে ম্যাচ সংক্ষিপ্ত করার চেয়ে ব্যাটিং অনুশীলনেই হয়তো গুরুত্ব দিয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। ব্যাটসম্যানরা সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন ভালোভাবেই। ২০ ওভারে ১৭৪ রান তুলেছেন নাজমুল-সৌম্যরা। জবাবে ৬৫ রানে শেষ মালদ্বীপের লড়াই। বাঁহাতি স্পিনার তানভির ইসলাম একাই নিয়েছেন ৫ উইকেট। ১০৯ রানের জয়ে তাই প্রত্যাশিত শুরু ছেলেদের ক্রিকেটেও।

ত্রিভুবনের উইকেট খুব ভালো হবে এমন আশা করেনি বাংলাদেশ। নেমে সেই অভিজ্ঞতা হয়েছে ব্যাটসম্যানদেরও। বল ঠিকঠাক ব্যাটে আসছিল না। মানিয়ে নিতে সময় নিয়েছেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও সৌম্য। তাতে প্রথম ৪ ওভারে এসেছে মাত্র ২০ রান। তবে সেট হয়ে যাওয়ার পর দুজন ৫৯ রানের জুটি গড়ে ফেলেন ৮ ওভারের মধ্যে। ২৮ বলে ৩৮ করে রান আউট হন নাঈম। সৌম্য ও নাজমুল হোসেন এরপর অনেকটা সময় ক্রিজে থাকেন। তবে কেউই হাফসেঞ্চুরি পূরণ করতে পারেননি, ৪৬ সৌম্য আর শান্ত করেছেন ৪৯ রান। ৪ উইকেটে ১৭৪ করে বাংলাদেশ, ৯ বলে ১৬ করেছিলেন আফিফ হোসেন। বল স্পিনিং উইকেটের সুবিধা তুলে বাকি কাজটা সেরেছেন তানভির। মালদ্বীপের ১০ উইকেটের ৯টিই স্পিনারদের ঝুলিতে। ২টি করে উইকেট মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদী ও আফিফের।

ওদিকে পোখারায় স্বাগতিকদের ১০ উইকেটে হারিয়েছেন সালমা খাতুনরা। এই জয়ে মেয়েদের ফাইনালও প্রায় নিশ্চিত। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা নেপালি মেয়েরা ৫০ রানেই অলআউট হয়ে যায় রাবেয়া খানের (৪) দুর্দান্ত বোলিংয়ে। ব্যাটিংয়ে নেমে অষ্টম ওভারেই ম্যাচ শেষ করেন মুর্শিদা খাতুন (২৩*) ও আয়েশা রহমান (২৬*)।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা