kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

মুখোমুখি প্রতিদিন

আমি চারটি সোনার প্রত্যাশা নিয়ে এসেছি

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমি চারটি সোনার প্রত্যাশা নিয়ে এসেছি

তেতসুরো কিতামুরার সঙ্গে কথা বললে চমকে যেতে হবে। ইংরেজির চেয়ে যে তিনি বাংলা বোঝেন ভালো! কয়েক বছর এখানে থাকার সুবাদে জাপানি কারাতে কোচ কাজ চালানোর মতো বাংলা শিখে ফেলেছেন। তাতে বাংলাদেশি কারাতেকারদের সঙ্গে ভালো মিশতে পারেন, তাদের সমস্যা ধরিয়ে দিতে পারেন। এরই সুফল এসএ গেমসে এক দিনে কারাতের তিন সোনা উপহার, এর পরই তিনি নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : দ্বিতীয় দিনে তিনটা সোনা উপহার দিয়েছে কারাতে। আপনি নিশ্চয়ই খুশি?

কিতামুরা : আমি বেশ খুশি। আল আমিন, অন্তরা, প্রিয়া—তিনজনই খুব ভালো খেলেছে। তারা দীর্ঘদিন পরিশ্রম করেছে, সেটার ফল পেয়েছে দক্ষিণ এশীয় গেমসে। আমাদের কারাতেকারদের পারফরম্যান্সে অনেক উন্নতি হয়েছে। এর আগে কয়েকটি টুর্নামেন্টে আমরা দেখেছি।

প্রশ্ন : ভারত থাকলে কি কঠিন হতো বলে মনে করেন?

কিতামুরা : না। কিছুদিন আগে দক্ষিণ এশীয় কারাতে প্রতিযোগিতায় ভারত-নেপালসহ সবাই ছিল, সেখানে আমরা তিনটি সোনা জিতেছি। তাই ভারতের চেয়ে কোনোভাবে আমরা পিছিয়ে নেই, মানের দিক থেকে এই অঞ্চলে নেপাল একটু এগিয়ে আছে।

প্রশ্ন : এখন পর্যন্ত তিনটি সোনা ও দুটি রুপা এসেছে কারাতে থেকে। আরো কি সম্ভাবনা দেখেন?

কিতামুরা : আমার প্রত্যাশা চারটি সোনা। টিম ইভেন্টে আমাদের ভালো করার সুযোগ আছে। আজকের পারফরম্যান্স দেখে মনে হচ্ছে, আরেকটি সোনা আসতে পারে। তারা এখন খুব আত্মবিশ্বাসী, সেটা দলগত খেলায় ইতিবাচক হবে।

প্রশ্ন : দক্ষিণ এশীয় গেমসের পর কি আরেকটু বড় স্বপ্ন দেখা যায়? বাংলাদেশি কারাতেকারদের কি এশীয় মানে পৌঁছানো সম্ভব?

কিতামুরা : স্বপ্ন দেখা যায় তবে সেই লক্ষ্যে পরিকল্পনা করে এগোতে হবে। আমার মনে হয়, বাংলাদেশিদের সেভাবে তৈরি করা গেলে পারবে। সে ক্ষেত্রে তাদের খাদ্যাভাসসহ অনেক কিছুই বদলে ফেলতে হবে। বাংলাদেশের খাওয়াদাওয়া কারাতে উপযোগী নয়। নেপাল যেমন এই গেমসের আগে জাপানে গিয়ে ট্রেনিং করেছে, ওখানকার খাওয়াদাওয়ায় অভ্যস্ত হয়েছে। এসএ গেমেস এটা তাদের বেশ কাজে লেগেছে। বড় কিছু করতে গেলে অনেক কিছু বাদ দিতে হবে। বদলে ফেলতে হবে রোজকার রুটিন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা