kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

বর্ণাঢ্য উদ্বোধনে টিকিটের আকাল

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বর্ণাঢ্য উদ্বোধনে টিকিটের আকাল

ক্রীড়া প্রতিবেদক : চাহিদা যত বেশি, সাধারণ দর্শকের জন্য টিকিটের পরিমাণ কমে যায় তত। তাদের চেয়ে ভিআইপিদের চাওয়াই যে বরাবরের অগ্রাধিকার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের! জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অনেক সময় ২৪ হাজার ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামের অর্ধেক টিকিটও বরাদ্দ থাকে না ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য। সেখানে বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আট হাজার টিকিটের মধ্যে পাঁচ হাজার বিক্রির জন্য—বিশ্বাস করা কঠিন বৈকি! এমন অকালের বাজারে যারা টিকিট পাবে, তারা নিজেদের সৌভাগ্যবান ভাবতেই পারে।

৮ ডিসেম্বর বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এরই প্রস্তুতি দেখার জন্য কাল শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান। সালমান খান, ক্যাটরিনা কাইফসহ বলিউড তারকাদের পারফরম্যান্সের জন্য মঞ্চ সাজানো হচ্ছে মাঠের একপাশে। দৃষ্টি আটকে যাওয়ার কারণে স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার এক-তৃতীয়াংশই শুধু তা দেখতে পারবে বলে জানান নাজমুল, ‘মঞ্চ যেভাবে হবে, তাতে গ্যালারি থেকে খুব বেশি দর্শকের দেখার সুযোগ নেই। মঞ্চের পেছনে বা পাশে টিকিট দিলে সেখান থেকে দেখার সুযোগ তো থাকবে না। আমাদের প্রাথমিক যে ধারণা ছিল, তা থেকে টিকিটের সংখ্যা কমে গেছে। আবার মাঠ কিংবা পিচ নষ্ট হবে, এমন ঝুঁকিও নিতে পারি না। ভিভিআইপিদের জন্য মাঠে চেয়ার বসিয়ে কিছু ব্যবস্থা শুধু করা যাবে।’ সব মিলিয়ে খুব বেশি দর্শকের জন্য অনুষ্ঠানটি উন্মুক্ত থাকবে না বলে জানান বোর্ড সভাপতি, ‘আমাদের হিসাবে আট হাজারের বেশি সম্ভব না। কাউন্সিলর আছে। ক্লাব আছে। বেশ কিছু সংস্থা আছে, যাদের সঙ্গে আমরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের সবাইকে টিকিট দিতে হবে। তাই সব মিলিয়ে হয়তো হাজার পাঁচেক টিকিট দর্শকদের জন্য দেওয়া যাবে।’

যদিও শেষ পর্যন্ত সাধারণ দর্শকের জন্য বরাদ্দের এ সংখ্যাটি কমে যাওয়ারই আশঙ্কা বেশি!

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য না হয় আট হাজার দর্শকের ব্যবস্থা, কিন্তু বিপিএলের ম্যাচের জন্য তো উন্মুক্ত থাকবে ২৪ হাজার আসনই। গ্যালারির সে আসনের অনেকগুলোরই ভাঙাচোরা অবস্থা। তা বদলানোর পদক্ষেপ বিসিবি নিয়েছে বলে কাল জানান নাজমুল, ‘স্টেডিয়ামের চেয়ারগুলো সব সময় আমরা আমদানি করেছি। গত কয়েক বছরে ওদের সঙ্গে অনেক যোগাযোগ করেছি। প্রতিবার বলে যে ঠিক করে দেবে; কিন্তু পরে সাড়া দেয় না। কিন্তু এখন দ্রুত কিছু চেয়ার বদলানো দরকার। আমরা তাই পরীক্ষামূলকভাবে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান আরএফএলের চেয়ার নিচ্ছি। পাঁচ থেকে ১০ হাজার চেয়ার নিয়ে যদি দেখি সেগুলোর স্থায়িত্ব ভালো, তাহলে ভবিষ্যতে বিদেশ থেকে চেয়ার আনার প্রয়োজনই পড়বে না।’ চেয়ারে বর্ণিল অস্থায়ী কাভার বসিয়ে গ্যালারিতে বিভিন্ন রঙের খেলা তৈরির চেষ্টাও বিসিবি করবে বলে জানান বোর্ড সভাপতি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা