kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

মুখোমুখি প্রতিদিন

আমাদের সম্ভাবনা ভাগ্যের ওপর

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমাদের সম্ভাবনা ভাগ্যের ওপর

এসএ গেমসে শ্যুটিংয়ে সোনার আশা থাকেই। তবে আগের মতো দাপট নেই এখন শ্যুটারদেরও। গতবার শাকিল আহমেদ জিতেছিলেন একমাত্র সোনা। এবার কী? কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে সে প্রসঙ্গেই বলেছেন সাবেক শ্যুটার ও কোচ সাইফুল আলম রিংকি

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : এসএ গেমসে এবার আপনাদের প্রত্যাশা কতটুকু?

সাইফুল আলম রিংকি : প্রত্যাশার কথা বলাটাও এখন কঠিন। কারণ শ্যুটিংয়ে ভারতের দাপট এখন অনেক বেশি। গত চারটি শ্যুটিং বিশ্বকাপেই ওদের জয়জয়কার। সর্বশেষ রিও অলিম্পিকে ১০টি সোনার ৫টিই ওদের। তো এই ভারত যদি নেপালে তাদের এক নম্বর দলটিকেই পাঠায় তাহলে আমাদের সম্ভাবনা আসলে ভাগ্যের ওপরই ছেড়ে দিতে হবে। ফাইনালে ওঠাটাই হবে মূল টার্গেট। এরপর অসাধারণ কিছু হয়ে গেলে সোনা আসতেই পারে।

প্রশ্ন : একটা সময় শ্যুটিংয়ে সাফল্য ছিল আরো অনেক বেশি, সেই ধারাটা ক্ষয়ে এলো কেন?

সাইফুল : ভারত এগিয়েছে রকেট গতিতে। আমরা সেখানে পিছিয়ে গেছি, কারণ আমাদের শ্যুটিং ক্লাবগুলোর কর্মকাণ্ড প্রায় স্থবির। সারা দেশে ৬০-৭০টি যে শ্যুটিং ক্লাব আছে তারাই একসময় খেলোয়াড় তৈরি করত। কিন্তু তারা সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পারেনি। আধুনিক ইকুইপমেন্ট তারা নিতে পারেনি আর্থিক অসচ্ছলতায়। এখন শ্যুটিং নির্ভর হয়ে পড়েছে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিকেএসপির ওপর। তাতে শ্যুটারের সংখ্যা কমে এসেছে।

প্রশ্ন : কিন্তু ফেডারেশন তো জাতীয় দলের শ্যুটারদের যথেষ্টই সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে...

সাইফুল : গুটিকয়েক শ্যুটারকে সারা বছর অনুশীলনে রেখে খুব বেশি এগোনো যায় না। আমাদের এখনো সেই বাকী, শোভন, রত্না, মুন্নাদের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। অথচ ভারতে চার বছর আগের তুলনায় এখনকার দলে অনেক নতুন মুখ। তারাই সাফল্য দিচ্ছে।

প্রশ্ন : এখন আর্চারিকে অনুসরণীয় বলা হচ্ছে অন্যান্য ফেডারেশনের জন্য, এই জায়গাটা তো শ্যুটিংয়ের নেওয়ার কথা।

সাইফুল : তা-ই হওয়ার কথা। ’৯৩ সাফে ভারতের শ্যুটারদের ঘোষণা দিয়ে আমরা হারিয়েছি। সেই ভারত এত দূর এগিয়ে গেল, আমরা পিছিয়ে পড়লাম সঠিক পরিকল্পনার অভাবে। টাকা তো কমবেশি খরচ হচ্ছেই, কিন্তু সেই তুলনায় এগোতে পারছি কি?

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা