kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

এসএ গেমস

প্রত্যাশা বাস্তবতার ফারাক ঘুচবে?

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : আর দিন কয়েক পরই নেপালে পর্দা উঠছে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর দক্ষিণ এশীয় গেমস (এসএ গেমস)। আন্তর্জাতিক সাফল্যের জন্য কাতর বাংলাদেশের জন্য এই আসরই নিজেদের প্রমাণের সবচেয়ে বড় মঞ্চ। কিন্তু প্রত্যাশা আর প্রাপ্তিতে ফারাকটাও বড়। এ পর্যন্ত যতগুলো আসর হয়েছে তাতে সাতটি বা আটটি দলের মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ বা পঞ্চমই হয়েছে বেশি সময়। এবারও যে এর ব্যতিক্রম হবে সে আশা নেই। কাল বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির ‘এসএ গেমস নিয়ে প্রত্যাশা বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে আসা ক্রীড়াবিদ, সংগঠক, সাংবাদিকরা তাই এ ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধানই করেছেন বেশি। ঘাটতি, সীমাবদ্ধতার কথাগুলোই ছিল মূল আলোচনায়।

ক্রীড়া লেখক সমিতির সভাপতি মোস্তফা মামুনের পরিচালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ লিখেছেন দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার বদিউজ্জামান মিলন।  গত এসএ গেমসে জোড়া সোনা জেতা মাহফুজা খাতুন ও ২০১০ আসরে সোনাজয়ী কারাতেকা হাসান খান সানও খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তার বিষয়টিতে জোর দিয়েছেন। এবারও সোনার প্রত্যাশী হাসান বলেছেন, ‘খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ দিন, আমরা রেজাল্ট দেব।’ গত এসএ গেমসে সোনা জেতা ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার এবং তাঁর সতীর্থরা এখনো স্যাঁতসেঁতে, ঘুপচি ঘরে অনুশীলন করেন, সোনা জয়ের পরও খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন না হওয়ার তাই সমালোচনা হয় সেমিনারে। কাল সেমিনারেই অবশ্য নেপালে একাধিক সোনা জয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তায়কোয়ান্দো, সাইক্লিং কর্মকর্তারা। সোনার আশা আছে এবার আর্চারিতেও। বিওএর সহসভাপতি শেখ বশির আহমেদসহ অনেকে তাই আর্চারি ফেডারেশনকেই অনুসরণীয় বলে উল্লেখ করেছেন। ক্রীড়া পরিষদ সচিব মাসুদ করিম সাফল্যের জন্য খেলোয়াড়, ফেডারেশন, ক্রীড়া পরিষদ, মন্ত্রণালয়সহ সব পক্ষকে একযোগে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা