kalerkantho

শুক্রবার । ৩ আশ্বিন ১৪২৭। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ২৯ মহররম ১৪৪২

মুখোমুখি প্রতিদিন

আবারও সোনা জিতব আমি

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




আবারও সোনা জিতব আমি

২০১০ এসএ গেমসে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি চারটি সোনা এনে দিয়েছিল কারাতে। ২০১৬-তে ডিসিপ্লিনটি ছিলই না। তবে নেপালে অনুষ্ঠেয় এবারের আসরে আবার সোনার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন কারাতেকারা। ২০১০-এর সোনাজয়ী হাসান খান কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন সে প্রসঙ্গেই

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ২০১০-এর পর আবার এসএ গেমসে অংশ নিচ্ছেন, লক্ষ্য নিশ্চয় একই আছে?

হাসান খান : ইনশাআল্লাহ, আবারও সোনা জিতব আমি। নিজেকে দ্বিতীয় স্থানে দেখতে কখনোই পছন্দ করি না। ২০১০-এর পর এ পর্যন্ত জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপেও কখনো সোনা হারাইনি। আশা করি এবারও সেই ঢাকা এসএ গেমসের পুনরাবৃত্তি করতে পারব।

প্রশ্ন : মাঝখানে ২০১৬ এসএ গেমসে খেলতে পারেননি আপনারা, আবার এই দক্ষিণ এশীয় আসরে ফেরাটাই রোমাঞ্চকর হওয়ার কথা আপনাদের জন্য?

হাসান : তাতো অবশ্যই। একজন খেলোয়াড়ের প্রথম লক্ষ্যই থাকে অলিম্পিক ইভেন্টের বড় বড় আসরগুলোতে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার। আমাদের এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমসে সব সময় অংশ নেওয়ার সুযোগ হয় না বাজেটের সীমাবদ্ধতার কারণে। কিন্তু এই দক্ষিণ এশীয় গেমসের আশায় থাকি আমরা সবাই। গতবার ভারতে কারাতে ডিসিপ্লিনটা না থাকা আমাদের জন্য ছিল ভীষণ কষ্টের। এবার নেপালে আবার আমরা সোনার জন্য লড়াই করতে যাচ্ছি, এটা সত্যি আমাদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার।

প্রশ্ন : ঢাকায় কারাতেতেই চারটি সোনা জিতেছিল বাংলাদেশ, এবার কি সম্ভব?

হাসান : এবারও চারটি বা এর চেয়ে বেশি সোনা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই আমরা যাচ্ছি। আমি অবশ্য একটি ইভেন্টেই অংশ নেব, ব্যক্তিগত কাতা। ঢাকায় আমার সোনা ছিল দলগত কাতায়। এবারও দলগত ইভেন্টে থাকতে পারলে অবশ্যই সোনা জেতার সুযোগ থাকত। আমার ইচ্ছাও ছিল। কিন্তু যে কারণেই হোক দলে আমাকে রাখা হয়নি। ব্যক্তিগত ইভেন্টেই তাই সেরাটা ঢেলে দেব।

প্রশ্ন : ঢাকায় কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া দক্ষিণ এশীয় কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপেও তো আপনি ব্যক্তিগত কাতায় সোনা জিতলেন?

হাসান : হ্যাঁ, এই আসরে খেলে আমার আত্মবিশ্বাস আরো বেড়ে গেছে। এখানে যারা এসেছিল, মোটামুটি এই খেলোয়াড়রই এসএ গেমসে থাকবে। মানসিকভাবেও ওদের চেয়ে এগিয়ে গেলাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা