kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

‘৪ গোল খাওয়ার দল নয় বাংলাদেশ’

১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : চার গোলের তোপটা যেন সইতে পারছে না বাংলাদেশ দল। কোচ-খেলোয়াড় সবাই হতাশ ওমানের বিপক্ষে ৪-১ গোলে হারে।

আগের তিন ম্যাচের দুটি হারলেও এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতারও দুইবারের বেশি বল পাঠাতে পারেনি বাংলাদেশের জালে। তাই ওমান ম্যাচে এমন ধাক্কা একদম অপ্রত্যাশিত ছিল। দলের কোচ জেমি ডে’র কাছে এই হারের যন্ত্রণা বড় বেশি, ‘ওমান অনেক ভালো দল, খেলোয়াড়দের মানও অনেক ভালো। মাঠে তারা সেটা দেখিয়েছে। তবে আমার হতাশা চার গোলে, আমরা চার গোল খাওয়ার দল নই। তবে আমরা একটা দিয়েছি, এটা ইতিবাচক।’ পুরো ম্যাচে ওমানের আধিপত্য থাকলেও বাংলাদেশ কৌশল মেনে চমৎকার খেলেছে প্রথমার্ধে। সেই ধারাটা আর বজায় থাকেনি দ্বিতীয়ার্ধে, ৪৮ মিনিটে গোল হজম করেই এলোমেলো হয়ে যায়। ‘দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের রক্ষণ সংগঠন ঠিক হয়নি। সেখানে ভুল-ভ্রান্তি হয়েছে বলেই ব্যবধান এত বড় হয়েছে। তবে তারা র‌্যাংকিংয়ে ৮৪ আর বাংলাদেশ ১৮৩ নম্বরে, মানের এই পার্থক্যটাই শেষ পর্যন্ত দেখা গেছে মাঠে’—রক্ষণভাগের দুর্বলতার কথা বললেও জেমি ডে তাঁর খেলোয়াড়কে কাঠগড়ায় তুলতে রাজি নন।

ওমান ম্যাচে এমন ধাক্কা একদম অপ্রত্যাশিত ছিল। দলের কোচ জেমি ডে’র কাছে এই হারের যন্ত্রণা বড় বেশি, ‘ওমান অনেক ভালো দল, খেলোয়াড়দের মানও অনেক ভালো। মাঠে তারা সেটা দেখিয়েছে। তবে আমার হতাশা চার গোলে, আমরা চার গোল খাওয়ার দল নই। তবে আমরা একটা দিয়েছি, এটা ইতিবাচক।

কারণ এই কোচ মানেন, প্রতি ম্যাচে একই মান বজায় রেখে সেরা পারফরম করা কঠিন কাজ। আগের তিন ম্যাচের প্রত্যেকটিতে তারা উন্নতি করেছিল একটু একটু করে। ওমান ম্যাচে প্রথমার্ধেও খেলে তারা সেই মান বজায় রেখে, কোনো গোল না খেয়ে। দ্বিতীয়ার্ধেও সেটা অব্যাহত থাকলে হয়তো ফল অত খারাপ হতো না। জেমিও তাই মনে করেন, ‘ম্যাচটি ড্র হলে দুর্দান্ত রেজাল্ট হতো। দ্বিতীয়ার্ধে শুরুটা ভালো হয়নি। ১০-১৫ মিনিট ওমানকে গোলহীন রাখতে পারলে খেলাটা তাদের জন্য কঠিন হয়ে যেত। হতাশ হয়ে পড়ত। কিন্তু শুরুতে গোল খাওয়ার পর আমাদেরও ওপরে উঠে খেলতে হয়েছিল। বড় দলের বিপক্ষে খেলায় ফেরার চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষও সুযোগ পাবে, তারা খেলার জায়গা পাবে।’ গোল খাওয়ার পর বাংলাদেশও ওপরে উঠে খেলতে শুরু করে, তখনই রক্ষণ সংগঠন এলোমেলো হয়ে যায়। ওপরে ওঠা খেলোয়াড়রা নামতে পারেননি দ্রুত। কিন্তু আক্রমণে না উঠে উপায় ছিল না তাদের। কারণ খেলাটা ফুটবল, গোল খেলে পাল্টা দেওয়ার চেষ্টাও করতে হয়। তাই জেমি বলছেন, ‘আমরা রক্ষণেই বসে থাকতে পারতাম, তখন হয়তো স্কোরলাইন ২-০ থাকত। কিন্তু আমরা চেয়েছি গোল করতে এবং উপস্থিত বাংলাদেশি দর্শকদের আনন্দ দিতে।’

তিন গোল খাওয়ার পর বিপলু একটি ফিরিয়েছে। এটাই ম্যাচের একমাত্র ইতিবাচক দিক। বাকিটা হতাশার। জেমি মনে করেন, ‘এই হতাশা খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রবল। কিন্তু তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তারা বুঝতে পারছে, কোথায় ভুল করেছে। দুর্দান্ত একটা দলের বিপক্ষে খেলা এই ম্যাচের ইতিবাচক দিক হলো ৪৭ মিনিট ঠিকঠাক রক্ষণ আগলে রাখা।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা