kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

ড্রয়ে অপেক্ষা গড়াল শেষ রাউন্ডে

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



ড্রয়ে অপেক্ষা গড়াল শেষ রাউন্ডে

নতুন ভূমিকায়

ক্রীড়া প্রতিবেদক : চার দিনের ম্যাচের প্রায় দুই দিন শেষ বৃষ্টিতে। বাকি দুই দিনে বিজয়ী-বিজিত নির্ধারিত হয় কিভাবে! খেলা মাঠে গড়ানোর পর বোলারদের রাজত্ব থাকলেও তাই খুলনা-রাজশাহীর ম্যাচটিতে ড্র ছাড়া অন্য কোনো ফল আসেনি।

তাতে জাতীয় ক্রিকেট লিগের শিরোপা লড়াই গড়াল শেষ রাউন্ডে। ২৯.৯৬ পয়েন্ট নিয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় খুলনা। এ রাউন্ডে রংপুরের সঙ্গে ড্র করা ঢাকা দ্বিতীয়তে রয়েছে ২৪.১ পয়েন্ট নিয়ে। ট্রফির লড়াই হবে এ দুটি দলের মধ্যেই। ১৭.১১ পয়েন্টের রাজশাহী এবং ১১.৭২ পয়েন্টের রংপুর ছিটকে গেছে সম্ভাবনা থেকে। ১৬ নভেম্বর শুরু হবে জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডের খেলা। তাতে খুলনা-ঢাকার দ্বৈরথই ঠিক করে দেবে শিরোপার গতিপথ।

শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কাল শেষ হওয়া ম্যাচে খুলনার রুবেল হোসেনের বিস্ফোরক বোলিংয়ের জবাব দিয়েছেন রাজশাহীর ফরহাদ রেজা। ৪৮ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন তিনি। তাতে ৪ উইকেটে ১৫৪ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করা খুলনা অল আউট ২০১ রানে। প্রথম ইনিংসে ৫০ রানে পিছিয়ে থাকা রাজশাহী চাপ নিয়েই ব্যাটিংয়ে যায় দ্বিতীয় ইনিংসে। স্পিনার আবদুর রাজ্জাক ৪ উইকেট তুলে নিলেও ওপেনিংয়ে অভিষেক মিত্রর ৫১ এবং শেষ দিকে নামা মুক্তার আলীর ৩৯ রানে নিরাপদ অবস্থানে চলে যায় রাজশাহী। ৭ উইকেটে ১৯১ রান করার পর ড্র মেনে নেন দুই অধিনায়ক। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়া রুবেলের হাতে ওঠে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার।

বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে প্রথম স্তরের আরেক ম্যাচে ঝলসে ওঠে নাসির হোসেনের ব্যাট। ১০৪ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১৬১ রানে। ৯ উইকেটে ২৭১ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে রংপুর। ঢাকার সামনে ছুড়ে দেওয়া ২৮৪ রানের লক্ষ্যে তো আর আড়াই সেশনে পৌঁছানো সম্ভব না। ড্রয়ের জন্য তাই খেলেছে তারা। রকিবুল হাসানের অপরাজিত ৮০ রানে ৪ উইকেটে ১৭৬ রান তোলার পর শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। ড্র ম্যাচে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির জন্য ম্যাচসেরা নাসির হোসেন।

তাঁর মতো বিশাল সেঞ্চুরি মার্শাল আইয়ুবেরও। তাঁর ১৬৩ রানে জাতীয় লিগের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে ৬ উইকেটে ৩৯৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা মেট্রো। রানবন্যার এই ম্যাচে তৌফিক খানের ৭৫ এবং শানাজ আহমেদের ৬১ রানে সিলেট দ্বিতীয় ইনিংসে করে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান। ড্র হয়ে যায় ম্যাচ। তিন সেঞ্চুরির এই খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকেই শতরান করা সিলেটের ব্যাটসম্যান অমিত হাসান।

দ্বিতীয় স্তরে বরিশাল-চিটাগংয়ের অন্য ম্যাচটি অবশেষে মাঠে গড়ায় চতুর্থ দিন বিকেল ৩টায়। পিকনিক আমেজের খেলায় ৩ উইকেটে ৭০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বরিশাল। এরপর চট্টগ্রাম বিনা উইকেটে ৪৫ রান তোলার পর ম্যাচ ড্র।

সংক্ষিপ্ত স্কোর : খুলনা-রাজশাহী : রাজশাহী  ১৫১ এবং ৬১ ওভারে ১৯১/৭ (অভিষেক ৫১, মুক্তার ৩৯; রাজ্জাক ৪/৬৯)। খুলনা ৭৩.১ ওভারে ২০১ (অমিত ৫৯, তুষার ৫৮, নাহিদুল ৩৩*; ফরহাদ ৬/৪৮, মুক্তার ২/৪০)। ফল : ড্র। ম্যান অব দ্য ম্যাচ : রুবেল হোসেন।

রংপুর-ঢাকা : রংপুর  ২৩৪ এবং ৯৯ ওভারে ২৭১/৯ ডিক্লে. (নাসির ১৬১*; শাহাদাত ২/২৪, তাইবুর ২/৩৭)। ঢাকা ২২২ এবং ৬৩ ওভারে ১৭৬/৪ (রকিবুল ৮০*; নাসির ১/১০)। ফল : ড্র। ম্যাচ অব দ্য ম্যাচ : নাসির হোসেন।

ঢাকা মেট্রো-সিলেট : ঢাকা মেট্রো ৩১১/৮ ডিক্লে. এবং ১০১ ওভারে ৩৯৫/৬ ডিক্লে. (মার্শাল ১৬৩, আজমির ৮০; কাপালি ২/৫৯)। সিলেট: ৩৫১ এবং ৪৯ ওভারে ১৮৭/৪ (তৌফিক ৭৫, শানাজ ৬১; তাসকিন ৩/২৪)। ফল : ড্র। ম্যান অব দ্য ম্যাচ : অমিত হাসান।

বরিশাল-চিটাগং : বরিশাল ১৩ ওভারে ৭০/৩ ডিক্লে. (সোহাগ ৪৪; ইরফান ২/১৩)।

চিটাগং : ৬ ওভারে ৪৫/০ (পিনাক ৩০*; মনির ০/৭)। ফল : ড্র।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা