kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

মুখোমুখি প্রতিদিন

এই টুর্নামেন্টে ভালো করলে মেয়েদের ভলিবল এগোবে

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এই টুর্নামেন্টে ভালো করলে মেয়েদের ভলিবল এগোবে

প্রথমবারের মতো মেয়েদের আন্তর্জাতিক ভলিবল টুর্নামেন্ট হচ্ছে ঢাকায়। এশিয়ান সেন্ট্রাল জোনের এই আসরে নেপাল, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও কিরগিজস্তানের বিপক্ষে খেলবে স্বাগতিকরা। নিজেদের প্রত্যাশা ও প্রস্তুতি নিয়ে কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে কথা বলেছেন দলের অধিনায়ক শাহিদা পারভীন

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেললেন কিরগিজস্তানের বিপক্ষে, কেমন হলো?

শাহিদা পারভীন : ভালোই হয়েছে। পাঁচ সেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটা ম্যাচ হয়েছে। ৩-২ সেটে শেষ পর্যন্ত অবশ্য আমরা হেরেছি। এর পরও টুর্নামেন্টের আগে আগে এই অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে দেবে।

প্রশ্ন : আরো আগেই এ ধরনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারলে বেশি ভালো হতো না?

শাহিদা : তা তো হতোই। দেশে বা দেশের বাইরে এ রকম আরো কিছু ম্যাচ আমরা খেলতে পারলে আমাদের প্রস্তুতি অবশ্যই আরো ভালো হতো।

প্রশ্ন : বিদেশি যে দলগুলো এসেছে এর মধ্যে বেশি শক্তিশালী কারা?

শাহিদা : নেপালই বেশি শক্তিশালী হওয়ার কথা। আমরা ওদের বিপক্ষে আগেও খেলেছি। গত বছরই আমরা নেপাল গিয়েছিলাম। ভালো লড়াই হয়েছিল আমাদের মধ্যে।

প্রশ্ন : এই আসরে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কতটুকু?

শাহিদা : শিরোপা জিততে পারলে তো কথাই নেই। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য ফাইনাল খেলা।

প্রশ্ন : ছেলেদের ভলিবল দল তো এই টুর্নামেন্টটা দিয়েই আলোচনায় এসেছে, আপনারা পারবেন?

শাহিদা : মেয়েদের প্রথম আসর এটা। এই টুর্নামেন্টের ওপর আসলে অনেক কিছু নির্ভর করছে আমাদের। ভালো ফল করতে পারলে নিশ্চয় আমরা আরো সামনে এগিয়ে যাব। সামনে হয়তো আরো ভালো মানের ট্রেনিং... ছেলেরা যেমন বিদেশি কোচ পাচ্ছে, দেশের বাইরে অনুশীলন করছে, আমরাও নিশ্চয় তেমনটা পাব।

প্রশ্ন : আপনার ক্যারিয়ার কত দিনের?

শাহিদা : ২০০৯ সাল থেকে জাতীয় দলে খেলছি আর ভলিবল খেলছি তো ১৩-১৪ বছর হয়ে গেল।

প্রশ্ন : ১০ বছর জাতীয় দলে, কিন্তু সেভাবে খেলার সুযোগ পেয়েছেন কি?

শাহিদা : না, খুবই কম পেয়েছি। প্রথমে থাইল্যান্ডে খেলতে গিয়েছিলাম, ২০১৪-তে গেছি নেপালে, এরপর গত বছর আবার নেপালেই আর এখন এসএ গেমসের প্রস্তুতির সঙ্গে এই টুর্নামেন্টটা খেলার সুযোগ পাচ্ছি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা