kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্রাজিলের ভেরন

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রাজিলের ভেরন

বছর কয়েকের মধ্যে হয়তো নেইমারের পাশেই খেলতে দেখা যাবে তাঁকে। জার্সির পেছনে লেখা থাকবে ‘ভেরন’। যে নাম এক লহমায় আর্জেন্টিনার তারকা মিডফিল্ডার হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরনকেই মনে করিয়ে দেয়। স্প্যানিশ এই নামটা ব্রাজিলে প্রচলিতও নয়। তবু অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সিতে যে গ্যাব্রিয়েল ভেরন মাঠ মাতাচ্ছেন, তাঁর নামটা কোনো কাকতালে পাওয়া নয়। বিস্ময়কর হলেও সত্য, ভেরনের বাবা তাঁর ছেলের এই নামটা রেখেছেন চিরশত্রু আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ভেরনের নামেই।

প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে হওয়া অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে একরকম উড়ছেই ব্রাজিল। টানা তিন জয়ে পৌঁছে গেছে নক আউট রাউন্ডে। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে ২ গোলের পাশাপাশি দুটি অ্যাসিস্টও মিডফিল্ডের ডান দিকে খেলা ভেরনের। অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে মিডফিল্ড থেকে চারজনকে কাটিয়ে করা গোলটাই তাঁকে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এনেছে, তাঁর নামটাও বিশেষ নজর কেড়েছে তখনই। ভেরন নিজেই বলেছেন তাঁর সেই নামকরণের ইতিহাস, ‘হ্যাঁ, আমার নামটা রাখা আর্জেন্টিনার কীর্তিমান ফুটবলার ভেরনের সঙ্গে মিলিয়েই। এখন আমিও এই নামটার মধ্যে নিজের লক্ষ্যটা খুঁজে পাই।’

সান্তা ক্রজ ডি নাতালের হয়ে ১৫ বছর বয়সে স্পেনে ক্লাব বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে এসেই প্রথম নজর কাড়েন তিনি, ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ে তাঁর লক্ষ্যভেদ ছিল, টুর্নামেন্ট শেষ করেছিলেন আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে। এর পরই সাও পাওলো জায়ান্ট পালমেইরেস কিনে নেয় তাঁকে। এবারের ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপও জয়ের পথে ভেরন। পরশু রাতে চিলিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালেও উঠে গেছে স্বাগতিকরা।

অথচ রাখাল হিসেবেই জীবনটা পার করে দিতে পারতেন। বাবা একটা খামারে সেই কাজই করেন, ভেরন ছোটবেলায় নিয়মিতই তাঁকে সাহায্য করেছেন। কিন্তু মায়ের স্বপ্ন ছিল অনেক, তাঁরই অনুপ্রেরণায় শেষ পর্যন্ত ফুটবলার হওয়া। অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে গোলটির পর বলছিলেন, ‘এমন পারফরম্যান্সে আমি নিশ্চয় ভেরনকেই গর্বিত করতে পেরেছি। তাঁর নামের মান রাখতে পেরেছি।’ ফিফাডটকম

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা