kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সেমির পথে চট্টগ্রাম আবাহনী

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেমির পথে চট্টগ্রাম আবাহনী

ছবি : রবি শঙ্কর

চট্টগ্রাম থেকে প্রতিনিধি : মোহনবাগানের পর ফেভারিট চট্টগ্রাম আবাহনীকেও ভোগাল লাওসের ইয়াং এলিফ্যান্ট। ম্যাচের ৩ মিনিটে পিছিয়ে পড়েও বিরতিতে যায় তারা ২-১ এ এগিয়ে থেকে। তবে স্বাগতিকরাও এই আসরে শিরোপা জিততে মরিয়া। মারুফুল হকের দলকে তাই থামাতে পারেনি ইয়াং এলিফ্যান্ট। দ্বিতীয়ার্ধে লুকা রোতকোভিচের গোলে সমতা ফেরানোর পর অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও আইভরিয়ান মিডফিল্ডার দিদিয়েরের গোল দলকে পৌঁছে দিয়েছে জয়ের বন্দরে। আর ৪-২ গোলের এই জয়ে সেমিফাইনালেরও দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে স্বাগতিকরা।

দিনের অন্য ম্যাচে মোহনবাগান ২-০ গোলে প্রথম জয় পেয়েছে মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসের বিপক্ষে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন টিসি শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে এসে তাই সবার আগে ফেরার বিমান ধরার পথে। লাওসের তরুণ দলটি চট্টগ্রাম আবাহনীর যেকোনো ভুলেরই সুযোগ নিতে ছিল তৈরি। ক্রমাগত প্রেস করে গেছে তারা। মারুফুলের দল সেই প্রহরা এড়িয়েই বারবার গোলের জন্য ঝাঁপিয়েছে। তিন মিনিটেই আরিফুর রহমানের হেড ঝাঁপিয়ে ফিরিয়েছেন এলিফ্যান্ট গোলরক্ষক। তবে দশম মিনিটে দিদিয়ের, লুকার বুদ্ধিদীপ্ত মুভমেন্টে বক্সের ভেতর জায়গা পেয়ে গেলে ম্যাথু চিনেডু সেই সুযোগ নষ্ট করেননি। ১৪ মিনিটেই ইয়াং এলিফ্যান্টও সেই গোল ফিরিয়ে দিলে ম্যাচ জমে ওঠে। আগের দিন গোকুলাম উইঙ্গার দুর্দান্ত একটি গোল করেছিলেন ফ্রিকিক থেকে, কালও প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে এলিফ্যান্ট মিডফিল্ডার আপিকজেয়ের দারুণ নিশানাভেদী শট। আবাহনী আবারও লিডের আশায় বারবার হানা দিয়েছে প্রতিপক্ষের বক্সে। সেখান থেকে দলটি পিছিয়ে পড়ে উজবেক ডিফেন্ডার ইকবাল জনের অমার্জনীয় এক ভুলে। ক্লিয়ার করতে গিয়ে এই সেন্টারব্যাক বল তুলে দিয়েছেন সোমজেয় কিহোনামের পায়ে, সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি আগের ম্যাচেই জোড়া গোল করা এই স্ট্রাইকার।

২-১ গোলে পিছিয়ে থেকেই তাই বিরতিতে যেতে হয় শিরোপাপ্রত্যাশীদের। ফিরে সমতায় ফিরতেও অবশ্য সময় নেয়নি মারুফুলের দল। ৫৪ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে জামাল ভূঁইয়ার এক হাওয়ায় ভাসানো ফ্রিকিকে মাথা ছুঁইয়ে ঠিকই দলকে সমতায় ফিরিয়েছেন সার্বিয়ান স্ট্রাইকার। এরপর দুই দলই ঝাঁপায় জয়সূচক গোলের জন্য। ৭১ মিনিটে জামালের পায়ে চট্টগ্রাম আবাহনীর তৃতীয় গোল। ডান দিক থেকে রহমত মিয়ার লং থ্রো বক্সের ভেতর বাধা পেয়ে একটু বাইরেই দাঁড়ানো জামালের পায়ে পড়লে, বাঁ পায়ে দারুণ এক শটে তা জালে জড়িয়ে দিয়েছেন স্বাগতিক অধিনায়ক। পরের মুহূর্তেই চিনেডুর শট ইয়াং এলিফ্যান্টের এক ডিফেন্ডার গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দিলে ম্যাচটি হয়তো সেখানেই শেষ হয়ে যায়। তবে তখন না হলেও এর মিনিট চারেক পর জামালেরই একটি কর্নারে দিদিয়েরের হেড আশ্রয় নেয় জালে। ম্যাচের মিনিট দশেক বাকি থাকতে মারুফের দল তাই ৪-২ গোলে এগিয়ে। তাতে জয়ের স্বপ্ন উজ্জ্বল। শেষ পর্যন্ত সেই ৩ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।

টিসির বিপক্ষে মোহনবাগান এগিয়ে গিয়েছিল ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই, ডান দিক থেকে আসা ক্রসে ডেনিয়েল সাইরাসের শট জালে জড়ায়। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ান সালভাদর। তাঁর বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া শট দূরের পোস্টে লেগে ঢুকে যায় জালে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা